রবিবার

৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি হল ভ্যাকসিন, মানবদেহে সফল পরীক্ষা বাগমারার তাহেরপুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ পাবনায় নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে : শিল্পমন্ত্রী নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফ’র পুশইনের অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিলো বিজিবি তানোরে যেভাবে প্রাণ গেলো ৭টি গরুর তানোরে খাল পুনঃখনন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

রাবিতে পোষ্য কোটা নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান

Paris
Update : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা ইস্যুকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-কর্মচারী-কর্মকর্তা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলছে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি। শিক্ষক-কর্মচারী-কর্মকর্তারা পোষ্য কোটাকে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা দাবি করে তা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করছেন। অন্যদিকে, মেধাভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়ার পক্ষে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ও ধর্মঘট পালন করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একই সময়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার বিষয়ে অফিসার্স সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোক্তার হোসেন বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা আদায় বাংলাদেশের বিচ্ছিন্ন কোনও বিষয় নয়। ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, সিলেট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, আমরা বঞ্চিত হবো কেন? এর জবাব প্রশাসনকেই দিতে হবে। যতক্ষণ আমাদের অধিকার আদায় না হবে, আমরা ঘরে ফিরবো না। প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনে যাবো। কারণ প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা কোনও অনৈতিক দাবি নয়, এটি শিক্ষকদের সন্তানদের ন্যায্য অধিকার। উর্দু বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম বলেন, আমাদের আন্দোলন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। আমরা পোষ্য কোটার দাবি করছি না, কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটির সমাপ্তি ঘটেছে।

আমরা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার ন্যায্য দাবিই জানাচ্ছি। কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা বা রাকসুকে ভণ্ডুল করার চেষ্টা নয়। অন্যদিকে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংগঠন স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফাহিম রেজা বলেন, কিছু পক্ষ বাংলাদেশকে বৈষম্যমূলক কোটা নির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাইছে। আজ যদি একের পর এক কোটা চালু হয়, তাহলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন ভেঙে যাবে। আমরা চাই, মেধা অনুযায়ী প্রতিযোগিতা হোক, বৈষম্যমূলক কোটা দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পিছিয়ে দেওয়া নয়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করলেও প্রশাসনের সঙ্গে এখনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। যেহেতু পোষ্য কোটা ইতোমধ্যেই বাতিল হয়েছে, তাই এ বিষয়ে নতুন করে আন্দোলন করে বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থবির করার সুযোগ নেই। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সবার জন্য যা ভালো হবে, সেটিই বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো। এর আগে ১৬ আগস্ট সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৮ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো- ভর্তিতে ‘পোষ্যকোটা’পুনর্বহাল, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আবাসন সমস্যা সমাধান, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষকদের ব্যক্তিগত চেম্বার বরাদ্দ ও গবেষণার অর্থ বৃদ্ধি, সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাফতরিক পরিবেশ উন্নয়ন এবং দুর্নীতিবাজ ও নিপীড়কদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা। প্রসঙ্গত, গত ২ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে উপাচার্য স্থায়ীভাবে ‘পোষ্যকোটা’ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris