স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীর রেলগেট এলাকায় সপ্তাখানেক ধরে মাটির নিচ থেকে নির্গত হচ্ছে পানি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজার হাজার গ্যালন পানি বের হচ্ছে পানি। স্থানীয়রা সহ আশেপাশের ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্যমতে, মাটির নিচে থাকা ওয়াসার মোটা পাইপ লাইন ফেঁটে বের হচ্ছে এই পানি। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান কার্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের পশ্চিম-দক্ষিণ কোণ ঘেষা ফুটপাতের পাশে এমনটা ঘটেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েকদিন আগে ওয়াসার লোকজন এসে স্থানটিতে খুড়াখুড়ির কাজ সম্পন্ন করলেও তারা বুঝতে পারছেনা কোথায় ফাঁটলের ঘটনা ঘটেছে। তাই অনুন্যপায় হয়ে স্থানটির এক কোণে লাল কাপড় দিয়ে নিশাণা দিয়ে গেছে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। অনবরত পানি নির্গত হবার কারণে পাশে থাকা রেল ব্যারিয়ার গেটটির নিচের মাটি দিন দিন নরম হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও রেললাইন ও রাস্তা ঘেঁষে অনবরত পানি প্রবাহের কারণে পথচারিরাও পড়েছেন বিপাকে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ওয়াসা কর্তৃপক্ষ দায়সারা গোঁছের কাজ করে চলে গেছেন। দূর্ঘটনা এড়াতে সেখানে কিছু কংক্রিটের ব্লক ও ছোট্ট একটি লাল কাপড়ের নিশানা বসিয়ে দ্বিতীয়বার তারা আর আসেননি। বিষয়টিকে ওয়াসার অবহেলা বলেই মন্তব্য করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ব্যবসায়ী পলাশ বলেন, সপ্তাখানেক আগে জায়গাটি দিয়ে পানি বের হচ্ছিল। দ্বিতীয়দিন থেকে পানি বের হবার গতি বৃদ্ধি পায়। ওয়াসার লোকজন এসে স্থানটি খুড়ি দেবার পর থেকে পানি বের হবার গতি আগের চাইতে আরো বেড়ে যায়। তারা এসে প্রায় চার ফিটের মতো মাটি খুড়ে কোন কিছুই বুঝতে পারছিলোনা। কোথায় তেকে পানি বের হচ্ছে সেটি বুঝতে না পেরে তারা চলে যায়। পানির কারণে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে গেছে। বেশ কয়েকজন বৃদ্ধ মানুষ পা পিছলে পরে গিয়ে আহত হয়েছেন। বিষয়টি জানার জন্য ওয়াসার প্রকৌশলী ইকবাল হোসেনকে ফোন করলে তিনি বলেন, আমি রাজশাহীর বাইরে আছি। পত্রিকার প্রতিনিধির কাছে তিনি নির্দিষ্ট করে স্থানটির বর্ণনা শোনার পর বলেন, আগামীকালের (শুক্রবার) মধ্যেই আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি। দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তাই পরবর্তী কি ব্যবস্থা ওয়াসা নিয়েছে সেটিও জানা সম্ভব হয়নি।