বুধবার

১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী লিবিয়ায় অপহৃত মান্দার আলমগীরের মৃত্যু, আড়াই মাস পর মরদেহ শনাক্ত রাজশাহীতে ক্লুলেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, বিএনপি নেতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি বিএমডিএ’র ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা নতুন সরকারের অধিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী

সবজি চাষ করে পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে চাই ইঞ্জিনিয়ার নাঈম

Paris
Update : শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪

ভোলাহাট সংবাদদাতা : ২০১৭ সালে সিভিল ডিপে¬ামা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনা করে বেকারত্বের অভিশাপে পরিবার ও সমাজের কাছে বোঝা হয়ে দূর্বিসহ জীবন যাপনের এক সময় হতাশায় ভুগছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভূজা গ্রামের মোঃ আলমাস আলীর ছেলে মোঃ নাঈম ইসলাম। টানাপোড়েনের সংসারে বেকারত্বের যন্ত্রনায় কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকায় ছুটাছুটি করেন তিনি। কিন্তু কোন কুলকিনারা করতে পারেননি। ফিরে আসতে হয় বাড়ীতে। যন্ত্রনায় বাড়ী থেকে বের হলেই শুনতে হতো নানা যন্ত্রণাদায়ক কথা। মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েন নাঈম ইসলাম। খোঁজ পেয়ে তদবির করে ভোলাহাট উপজেলায় কম বেতনে একটা প্রকল্পের চাকরি ছুটে কপালে। কিন্তু কপালে দুঃখ থেকেই যায়। ৫/৬ মাস পর পর বেতন পান। এভাবে কতদিন চলবে? এমন প্রশ্ন নিজের কাছে বার বার আসতে থাকে নাঈমের। সবজি চাষ করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবে এমন চিন্তা করেন তিনি । এ মৌসুমে শুরু করেন পৌণে ৩ বিঘা জমিতে টমেটো এবং ২ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ। পরিবারের কাছ থেকে ও ঋণ করে টাকা সংগ্রহের পর ঝুঁকি নিয়ে সবজি চাষ শুরু করেন।
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নাঈম ইসলাম বলেন, ‘বেকারত্বের যন্ত্রনায় যখন নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছিল। ঠিক তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম সবজি চাষ করে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে হবে। সিদ্ধান্ত নিয়ে পৌণে ৩ বিঘা জমিতে টমেটো আর ২ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ শুরু করেছি। প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। উৎপাদন প্রায় ৫ লাখ টাকা আশা করছি । এবার টমেটো এবং মিষ্টি কুমড়ায় লাভবান হবো। পরবর্তীতে মৌসুম ভিত্তিক সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটাতে পারবো বলে আশাবাদী তিনি। নাঈম ইসলাম বলেন, ‘সবজি চাষ শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তিন জন মানুষ প্রায় প্রতিদিন জমিতে কাজ করছে। তাদেরকে পারিশ্রমিক দিতে পারি। শ্রমিক ফিরোজ বলেন, আমরা তিন জন মানুষ নাঈম ভাইয়ের জমিতে কাজ করে সংসার চালাই।’


আরোও অন্যান্য খবর
Paris