২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে ভুল তথ্য দেয়ায় ৯ হেডমাস্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: lead, শিক্ষানগর
বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে ভুল তথ্য দেয়ায় ৯ হেডমাস্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছে ভুল তথ্য দেয়ার কারণে ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যারা নিয়োগ শুরু হওয়ার পর স্কুল থেকে শূন্য শিক্ষক পদের ভুল চাহিদা দিয়েছিলেন, তাদের তিন মাসের বেতন কর্তন করা হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে দ্বিতীয় চক্রের শিক্ষক নিয়োগে শূন্য পদের ভুল তথ্যের কারণে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েও কয়েক হাজার প্রার্থী যোগদান ও এমপিওভুক্ত নিয়ে জটিলতায় পড়েছিলেন। এর মধ্যে ১ হাজার ২৭০ জন এখনো নিয়োগ পাননি। তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ-তে ঘোরাঘুরি করেও এখনো নিয়োগ পাচ্ছেন না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিভিন্ন সমস্যা যেমন- মহিলা কোটা, নবসৃষ্ট পদে নিয়োগ, প্যাটার্ন জটিলতাসহ নানা সমস্যার কারণে তারা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না। এসব জটিলতার মূলে ছিলেন শূন্যপদের ভুল তথ্য পাঠানো প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষক নিয়োগের ভুল তথ্য পাঠানো এমন নয়জন প্রতিষ্ঠান প্রধানের তিনমাসের এমপিও কেটে রাখার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ (মাউশি)। মঙ্গল ও গত বুধবার আলাদা আদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে দায়ীদের এমপিও কেটে রাখার নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

তিন মাসের বেতন হারানো শিক্ষকরা হলেন, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার আলীপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম, যশোরের মনিরামপুর উপজেলার আহমদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতিয়ার রহমান। বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোফাফফর হোসেন, বগুড়া সদর উপজেলার আলোর মেলা কে জি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রী সুশীল কুমার পাল, খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার অনাথ আশ্রম

আবাসিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল হক, বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার আন্ধরমানিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিটুন মিত্র, পটুয়াখালীর জেলা দুমকি উপজেলা আংগারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র লষ্কর, পিরোজপুর সদর উপজেলার অ্যাপেক্স ক্লাব নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন বলেন, ভুল তথ্য দিয়ে তারা গর্হিত কাজ করেছেন। তাদের এ ভুলের কারণে অনেক চাকরিপ্রার্থী হয়রানির শিকার হয়েছেন। তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ-তে দরজায় দরজায় ঘুরছেন। এর দায় শিক্ষকদের অবশ্যই নিতে হবে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন