মঙ্গলবার

১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীর নওহাটা গুদামে অনিয়ম, ৫ ট্রাক চাল আটক প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় কমিটি ভূমি সেবায় হয়রানি বন্ধে জবাবদিহি নিশ্চিতের আশ্বাস দিলেন ভূমিমন্ত্রী রাসিকে যোগদান করলেন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম নাচোলে সাংবাদিকদের সাথে বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত প্রশাসক রিটনের দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাসে রাজশাহী নগরীর উল্লেখ্যযোগ্য পরিবর্তন উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী হার্ট ফাউন্ডেশনে ৫ দিন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ক্রীড়াকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে : মিনু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের বৈঠক তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : মিলন

শোকাবহ আগস্ট

Paris
Update : সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩

এফএনএস
আজ সোমবার, শোকাবহ আগষ্ট মাসের সপ্তম দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে যেখানেই ভূমিকা রেখেছেন তাকে ছায়ার মত আগলে রেখে উৎসাহ যুগিয়েছিলেন তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। বঙ্গবন্ধুর জীবনের নানা চড়াই-উত্রাইয়ের সঙ্গী ছিলেন বেগম মুজিব। এই মহীয়সী নারী মানবসেবায় সারাজীবন নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। বেগম মুজিব এবং মুজিব ভাবী নামে রাজনৈতিক সহকর্মীদের কাছে তিনি শ্রদ্ধার পাত্রী ছিলেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যতবার কারারুদ্ধ হয়েছেন সন্তান-পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের বেগম মুজিব সাহস যুগিয়েছেন। আওয়ামী লীগের ইতিহাস এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এই মহীয়সী নারীর অবদান অসামান্য। একজন আটপৌরে বাঙ্গালি নারীর বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছিলেন তিনি। সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, বিরহ-বেদনায় তিনি ছিলেন প্রেরণার উৎস। নিরবে-নিভৃতে তিনি বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা যুগিয়েছেন। তিনি কখনোই বিচলিত হননি। একজন রাজনৈতিক নেতার সহধর্মিণী হিসাবে সারাদিন মানুষকে আহার যুগিয়েছেন। হাসিমুখে অকাতরে দান করেছেন; কিন্তু কখনোই নিজের কষ্ট কাউকে বুঝতে দেননি। সদালাপী, নির্মোহ, নিরহংকারী বেগম মুজিব ছিলেন সকলের শ্রদ্ধার পাত্রী।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে শত্রুহীন, সদালাপী, বহুগুণে গুণানি¦ত এই গৃহবাসী নারীও ঘাতকের তপ্ত বুলেট থেকে রেহাই পাননি। জাতির জন্য সত্যিই এ এক বড় দুর্ভাগ্য। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭২’র ১০ জানুয়ারি পশ্চিম পকিস্তানের জেল থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরে আসেন। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। স্বাধীন বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক অনেক পদক্ষেপ তাকে নিতে হয়েছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং জাতিকে শিক্ষিত করতে প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেছিলেন তিনি। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দেন। বঙ্গবন্ধুর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের মানুষ আবারো মাঠে-ঘাটে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশে যখন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে চালের দাম কমে আসে ঠিক তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে দেশকে পিছিয়ে দেয়।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris