সোমবার

২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুদককে দন্তহীন বাঘ হলে চলবে না : হাইকোর্ট

Paris
Update : সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

এফএনএস : দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দন্তহীন বাঘ হলে চলবে না- বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। সুইস ব্যাংকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত ইস্যুতে করা রিট শুনানির একপর্যায়ে আদালত এমন মন্তব্য করেন। আদালত বলেন, দুদককে কনসার্ন থাকতে হবে সুইস ব্যাংকের জব্দকৃত টাকা ফেরত ইস্যুর বিষয়ে। এ সময় দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান আদালতে বলেন, আমরা অবশ্যই কনসার্ন রয়েছি। আমাদের কাছে সকল তথ্য রয়েছে। সেগুলো আদালতে উপস্থাপন করতে পারব। মুসা বিন শমসেরসহ অন্যান্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক বিশেষ করে সুইস ব্যাংকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট শুনানিতে গতকাল রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমন কথা বলেন। পরে রিটের ওপর শুনানি আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন আদালত।

আদালতে অরাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিনউদ্দিন মানিক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহজাবিন রাব্বানী দীপা ও আন্না খানম কলি। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুল কাইয়ুম খান ও সুবীর নন্দী দাস। রিটকারী আইনজীবীরা জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি অ্যাডভোকেট আবদুল কাইয়ুম খান ও সুবীর নন্দী দাস এ রিট দায়ের করেন। রিটে মুসা বিন শমসেরসহ অন্যান্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক বিশেষ করে সুইস ব্যাংকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অ্যাটর্নি জেনারেল, বাণিজ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট ১৫ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংবাদপত্রে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে। রিট আবেদনে বাংলাদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সুইস ব্যাংকসহ গোপনে বিদেশের ব্যাংকে পাচার করা অর্থ ফেরত আনতে বিবাদীদের চরম ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়। একইসঙ্গে সুইস ব্যাংকসহ বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের অতীতের এবং বর্তমানে এই ধরনের অর্থপাচার ও সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে একটি স্পেশাল কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। পাশাপাশি পাচারের বিষয়ে তথ্য থাকলে প্রকাশ করে পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের প্রতি নোটিশ জারির আবেদনও করা হয়।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris