শুক্রবার

১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে তাৎক্ষণিক দুইটি নাগরিক সমস্যার সমাধান মোহনপুরের কৃষিতে নতুন সম্ভবনা চুইঝাল নওগাঁয় রাকাবের হালখাতা, ২ দিনে আদায় ১১ কোটি ২০ লাখ টাকা মেধাবী ফাহিমের পাশে রাজশাহীর ডিসি পরীক্ষায় নকল বন্ধে মন্ত্রী-এমপিদের সহযোগিতা চেয়ে শিক্ষামন্ত্রীর চিঠি রাজশাহী নগরীর ৫৪ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেবে রাসিক ফটো সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে : তথ্যমন্ত্রী টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে জাতীয় সংসদে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন স্পিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে দেওয়া উপহারের ২০ লোকোমোটিভ বন্ধুত্বের প্রতীক : অশ্বিনী

Paris
Update : বুধবার, ২৪ মে, ২০২৩

এফএনএস

বাংলাদেশকে দেওয়া ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভকে (রেল ইঞ্জিন) বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ভারতের রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, ভারতের কাছ থেকে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে দেওয়া এই ২০টি বিজি লোকো বাংলাদেশের জনগণের রেল ভ্রমণকে সহজ করবে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে লোকোমোটিভ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ভারতের রেলমন্ত্রী। দর্শনা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের দেওয়া অনুদানের ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এগুলো গ্রহণ করেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন। ভারত বলছে, এই লোকোমোটিভগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশকে দেওয়া এই লোকোমোটিভকে সম্পদ ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি চমৎকার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন ভারতের রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারের জন্য অগ্রাধিকার ছিল বহুমুখী সংযোগ বাড়ানো। বিশেষ করে রেলওয়েতে। ভারতের রেলমন্ত্রী বলেন, রেল সংযোগ হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারিত্বের অন্যতম প্রধান উপাদান। যার মাঝে ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে রেল সেক্টরের প্রকল্প শেষ হয়েছে। এ ছাড়া ১ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যমানের প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রতিফলন হিসেবে, কলকাতা-ঢাকা, কলকাতা-খুলনা ও ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে তিনটি আন্তঃসীমান্ত ট্রেন সার্ভিস চালু রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানান শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে যা রেলওয়ের মাধ্যমে বৃহত্তর দ্বিপাক্ষিক এবং উপ-আঞ্চলিক সংযোগের গুরুত্বকে তুলে ধরবে। এরমধ্যে রয়েছে ১৯৬৫ আগের রেল সংযোগসমূহ পুনরুদ্ধার করা, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে নতুন রেলওয়ে সংযোগ তৈরি করা, বাংলাদেশের রেল কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়া। ভারতের রেলমন্ত্রী বলেন, রেলের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়েছে। প্রতি মাসে উভয় দিক থেকে প্রায় ১০০টি পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা ঢাকার রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান দিল্লির রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris