রবিবার

৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি হল ভ্যাকসিন, মানবদেহে সফল পরীক্ষা বাগমারার তাহেরপুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ পাবনায় নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে : শিল্পমন্ত্রী নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফ’র পুশইনের অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিলো বিজিবি তানোরে যেভাবে প্রাণ গেলো ৭টি গরুর তানোরে খাল পুনঃখনন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে মিয়ানমারে বিক্ষোভ

Paris
Update : রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

এফএনএস : মিয়ানমারের প্রধানতম শহর ইয়াঙ্গুনে সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে। বিক্ষুদ্ধ জনতা মনে করে সামরিক জান্তাকে সরিয়ে শিগগিরই মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক শাষন ফিরে আসবে। তারা অবরুদ্ধ নেত্রী অং সান সুচিরও মুক্তি দাবি করে। সামরিক জান্তা সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে ফেসবুক, টুইটারের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দিলেও রাজপথে জড়ো হচ্ছে সাধারণ মানুষ। মিয়ানমারের অন্যতম প্রধান ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিনর জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ প্রদান পর্যন্ত দুটি সাইট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যম বন্ধ কেন? মিয়ানমারের সামরিক জান্তা পর্বেক্ষণ করে দেখেছে, ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের কথা মানুষ ফেসবুক থেকেই প্রথম জেনেছে।

যেকোন তথ্য বা সংবাদ সংগ্রহের প্রাথমিক উৎস হয়ে উঠেছে ফেসবুক। এর তিন দিন পর দেশে স্থিতিশীলতা রক্ষার অজুহাতে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফেসবুক বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। ফেসবুক বন্ধ করার পর মানুষ তথ্য জানতে ঝুঁকে পড়ে টুইটার এবং ইনস্টাগ্রামের দিকে। সাধারণ মানুষ সামরিক অভ্যুত্থানের বিপক্ষে মত প্রকাশ করতে থাকে। এরপর গত শুক্রবার রাত দশটা থেকে টুইটার, ইন্সটাগ্রামও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামরিক শাসকের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এসব সামাজিক মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। সে কারণে এগুলো বন্ধ করা হয়েছে। মিয়ানমারের সামরিক সরকারের এসব পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নরওয়ের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান টেলিনর।

এ ধরণের প্রতিবন্ধকতায় সাধারণ মানুষের বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে মনে করে টেলিনর। টুইটারের মুখপত্র বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দিয়ে গণমানুষের যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হচ্ছে। তাছাড়া জনতার মত প্রকাশও কঠিন হয়ে পড়ছে। জনতা গণতন্ত্রের দাবিতে মাঠে নামলেও মিয়ারমারের সামরিক জান্তা দাবি করছে, সেখানে স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। কিন্তু সাধারণের মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে এসেছে। থালা-বাটি বাজিয়ে, গাড়ির হর্ন বাজিয়ে, বিপ্লবী গান গেয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এমনকি রাতভর চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচী।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris