স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বিএনপিকেও ভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ফাঁকা মাঠে নয়, খেলেই তিনি গোল দিতে চান। আসন্ন রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া পর শনিবার (১৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ৩টায় কুমারপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ করেন খায়রুজ্জামান লিটন। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। শনিবার দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মনোনয়ন বোর্ডে বর্তমান মেয়র লিটনকেই আসন্ন রাসিক নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। খায়রুজ্জামান লিটনকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রাজশাহী নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল বলেন, খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহী শহরকে বদলে দিয়েছেন। তার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে তাকে মেয়র হিসেবে আবারও দরকার। এজন্য তাকেই প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। আমরা এ কারণে উচ্ছ্বসিত।
সংবাদ সম্মেলনে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আমার সব সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপরেই ছেড়ে দিয়েছিলাম। তিনি আমাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি আমাকে জিতে আসতে বলেছেন। গত পাঁচ বছরে যেভাবে রাজশাহীর উন্নয়ন করেছি, মানুষের সেবা করেছি তাতে নগরবাসী আমাকে আবারও নির্বাচিত করবেন। সেই বিশ্বাস শহরের মানুষের প্রতি আমার আছে। তিনি ছাড়াও মেয়র প্রার্থী হতে মহানগর আওয়ামী লীগের আরো দুই নেতা দলীয় মনোনয়নপত্র তুলেছিলেন। তারা হলেন, সহ-সভাপতি মাহফুজুল আলম লোটন ও সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। তাদের এ সংবাদ সম্মেলনে দেখা যায়নি। তবে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে নৌকার জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়ে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রত্যাশা যে কারোর থাকতেই পারে। তবে প্রার্থী ঠিক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারো এখন নৌকার বিরোধিতা করা উচিত হবে না। আমি চাই, সবাই এক হয়েই কাজ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, রেজাউল ইসলাম বাবুল, ডা. তবিবুর রহমান শেখ, নাইমুল হুদা রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, আহসানুল হক পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আসলাম সরকার, দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম বুলবুল, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জিয়া হাসান আজাদ হিমেল, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মকিদুজ্জামান জুরাত, শ্রম সম্পাদক আব্দুস সোহেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামারউল্লাহ সরকার কামাল, কোষাধ্যক্ষ হাবিবুল্লাহ ডলার, সদস্য এ্যাড. মোজাফফর হোসেন, জহির উদ্দিন তেতু, মোসাদ্দেক হোসেন লাবলু, মোশফিকুর রহমান হাসনাত, শাহাব উদ্দিন, সদস্য ও মতিহার থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুল মান্নান, সদস্য ও বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) আওয়ামী লীগের সভাপতি আতিকুর রহমান কালু, সদস্য ও রাজপাড়া থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাফিজুর রহমান বাবু, সদস্য ও বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সালাম, সদস্য ইসমাঈল হোসেন, বাদশা শেখ, ইউনুস আলী, মোখলেসুর রহমান কচি, এ্যাড. রাশেদ-উন-নবী আহসান, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, বোয়ালিয়া (পশ্চিম) থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান রতন, মতিহার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন, শাহ মখদুম থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত আলী শাহু, মহানগর যুবলীগ সভাপতি রমজান আলী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মমিন, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সালমা রেজা,সাধারণ সম্পাদক কানিজ ফাতেমা মিতু, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ এ্যাড. ইসমত আরা, নিলুফার ইয়াসমিন নিলু, রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবিন সবুজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।