বৈশ্বিক আসরে ভাগ্যকে যেন পাশেই পাচ্ছেন না ইমরানুর রহমান। বেলগ্রেডে সংকেত শুনতে না পেরে দৌড়াতে পারেননি। এবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মূল হিটে দৌড়াতে পারলেন না চোট পথ আগলে দাঁড়ানোয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওরিগনের এই প্রতিযোগিতায় অবশ্য ১০০ মিটার স্প্রিন্টের প্রিলিমিনারি হিটে আলো ছড়িয়েছিলেন ইমরানুর। ১০.৪৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় হিটে ছয় প্রতিযোগীর মধ্যে হয়েছিলেন তৃতীয়। এ পর্বের চার হিট মিলিয়ে ২৫ প্রতিযোগীর মধ্যে চত্র্থু হন ইমরানুর। মূল হিটে দৌড়ানোর আগে ওয়ার্মআপ করতে গিয়ে কুঁচকিতে চোট পান ইমরানুর। -এফএনএস
এ কারণে তার দৌড়ানো হয়নি বলে গণমাধ্যমকে জানান বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রকিব। “ওয়ার্মআপের সময় ইমরানুরের ডান কুঁচকিতে টান লাগে। এরপর এখানকার চিকিৎসককে দেখাই আমরা। চিকিৎসকের পরামর্শেই তাকে ট্র্যাকে নামতে দিইনি। কারণ এখানে দৌড়ালেও সে হয়তো সেমি-ফাইনালে উঠতে পারতো না। কিন্তু আরও বড় ধরনের চোটে পড়ার ঝুঁকি থাকতো।” গত জানুয়ারিতে ১০ দশমিক ৫০ সেকেন্ড সময় নিয়ে দেশের দ্রুততম মানব হন ইমরানুর। সেরা হওয়ার পথে ২১ বছরের পুরনো রেকর্ডও নিজের করে নেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই অ্যাথলেট।
জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে আগের রেকর্ডটি ১৯৯৯ সালে মাহবুব আলম গড়েছিলেন ১০ দশমিক ৫৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে। এরপর মার্চে তিনি যান সার্বিয়ার বেলগ্রেডে বিশ্ব ইনডোর অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে। ৬০ মিটার স্প্রিন্টের হিটে বিস্ময়ের জন্ম দেন ইমরানুর। পাঁচ নম্বর হিটে ৬ দশমিক ৬৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে জাতীয় রেকর্ড গড়ে সেমি-ফাইনালে উঠেন। এরপর সেমি-ফাইনালে এক নম্বর হিটে দৌড়ানোর কথা ছিল ইমরানুরের। কিন্তু সংকেত শুনতে না পেরে দৌড়াতে পারেননি ২৮ বছর বয়সী এই স্প্রিন্টার। ‘অদ্ভূতভাবে’ শেষ হয় বেলগ্রেড মিশন। এবার তাকে থামিয়ে দিল চোট।