স্টাফ রিপোর্টার : প্রতিদিনের হাজার হাজার, মাসে লাখ লাখ এবং বছরে কোটি কোটি টাকা শোষণ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজশাহী বিভাগীয় অঞ্চলিক কমিটির আহ¦ায়ক জহুরুল ইসলাম জনি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে, রাজশাহী জেলা মটরশ্রমিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম জনি বলেন, কোষাধ্যক্ষ মানে শুধু ব্যাংকের চেক স্বাক্ষর করা আর ভাউচার স্বাক্ষর করা? তিনি বলেন, কোষাধ্যক্ষ হয়ে আমি নিরবে পাপের বোঝা বেড়াচ্ছি। হাজার হাজার শ্রমিকের টাকা রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা অর্থ আত্মসাৎ করছেন। শ্রমিকের জীবন-জীবিকা নিয়ে খেলায় মেতেছে তারা। মটর শ্রমিক ইউনিয়নের আয় হলেও জমার খাতায় কারচুপি।
মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের জমি বিক্রি করেছে ১৯ কাঠা কিন্তু শ্রমিকদের বলা হয়েছে ১৬ কাঠা। যেগুলোর টাকার কোনো খবর নেই। গাড়ির চেন-বিক্রি করা হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকার। প্রতিদিন ঢাকার কোচ ভিআইপি থেকে হাজার হাজার টাকা তোলা হলেও জমার খাতায় কোনো হিসেব নেই। রাজশাহীর মিনিবাস থেকে আঞ্চলিক কমিটির নামে ১৯০ থেকে ২০০টি গাড়ি প্রতি ২০ টাকা নেয়া হয়। গাড়ি প্রতি ৩১০ টাকা নেয়া হলেও খাতায় তোলা হয় ১০০ টাকা। এরকম বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ করেন তিনি। তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, রাজশাহী সিটি মেয়র ও ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টাকে এসকল অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর আহ¦াবান জানান সংবাদ সম্মেলন থেকে।