সর্বশেষ সংবাদ
কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী  গৃহস্থলী পুকুরে নতুন স্বপ্ন সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ১৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে রাজশাহীর বালুর মূল্যনিয়ন্ত্রণ-সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কড়া সতর্কতা ডিসির রাজশাহীর বালুর খনি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন শতভাগ ই-জিপির পথে এগোচ্ছে দেশ স্বপ্নে দেখা মানত পূরণ করতে গিয়ে ছোট যমুনায় ডুবে মারা গেলেন গৃহবধূ মোহনপুরে আড়াই হাজার মানুষের হাতে কৃষি ও উন্নয়ন প্রণোদনা বুধপাড়া আলিম মাদ্রাসার বৃত্তিপ্রাপ্ত ১২ শিক্ষার্থীকে রাসিক প্রশাসকের অর্থ প্রদান

রুশ মারিউপোলে ১৬ হাজার বাসিন্দাকে গণকবর দিয়েছে

Paris
Update : বুধবার, ১ জুন, ২০২২

এফএনএস : ইউক্রেনের বন্দরনগরী মারিউপোলে কমপক্ষে ১৬ হাজার বাসিন্দাকে একাধিক গণকবরে সমাহিত করেছে রুশ বাহিনী। বর্তমানে রুশ নিয়ন্ত্রিত শহরটির ইউক্রেনীয় মেয়র ভাদিম বয়চেঙ্কো এমন দাবি করেছেন। মারিউপোলের স্ত্রারি ক্রিম, মানহুশ ও ভিনোহরেদন গ্রামের কাছে এসব গণকবর রয়েছে। খবর আল-জাজিরার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে ভাদিম বয়চেঙ্কো বলেন, দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরীটিতে গত মাসে স্ত্রারি ক্রিম সমাধিক্ষেত্রে নতুন করে খোঁড়া ২৫টি গর্ত দেখা গেছে। এসব গর্তে কয়েক স্তরে মরদেহ রাখা হয়। এরপর ব্যক্তিগত সমাধির মতো করে সেগুলো ঢেকে দেওয়া হয়।

ভাদিম বয়চেঙ্কো বলেন, ‘আমাদের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী মারিউপোলে ২২ হাজার মানুষ মারা গেছেন। কিন্তু প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, রুশ ফ্যাসিস্টদের অপকর্মের ফল আরো ভয়াবহ। এই ঘটনা এবং দখলদারদের অধীনে জনগণের ভয়াবহ অবস্থার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশেষ নজর প্রয়োজন।’ মারিউপোলের ইউক্রেনীয় এই মেয়র দাবি করেন, এখনো হাজারো মরদেহ ধ্বংসস্তূপ, সাধারণ সমাধিক্ষেত্র ও অস্থায়ী মর্গে পড়ে আছে। অবশ্য হতাহতের এই সংখ্যা আলাদাভাবে যাচাইয়ের বিষয়ে কিছু বলেনি আল-জাজিরা।

প্রতিবেদনে এ বিষয়ে রুশ কর্মকর্তাদেরও কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। যুদ্ধে রুশ সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের সংখ্যা প্রায়শই বাড়িয়ে বলতে দেখা যায় ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। শুরু থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর মারিউপোলের নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যাপক হামলা চালায় রুশ বাহিনী। কয়েক দিন আগে আজভস্তাল ইস্পাত কারখানায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়া ইউক্রেনীয় বাহিনীর সর্বশেষ দলটি আত্মসমর্পণ করলে মারিউপোলের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris