২২ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

রাজশাহীর বালুর মূল্যনিয়ন্ত্রণ-সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কড়া সতর্কতা ডিসির

প্রকাশিত: ৭ জুলাই ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: lead
রাজশাহীর বালুর মূল্যনিয়ন্ত্রণ-সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কড়া সতর্কতা ডিসির
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীতে বালুর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং এর ফলে নির্মাণকাজ ব্যাহত হওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় বালুর মূল্যনিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় বর্ষা মৌসুমে শহরের নির্ধারিত ডিপো থেকে সরবরাহকৃত প্রতি ৭৫০ সিএফটি বালুবাহী ট্রাকের মূল্য ৫ হাজার টাকা এবং গোদাগাড়ী ৫ মৌজা বিশিষ্ট বালুমহাল থেকে সরাসরি সরবরাহকৃত প্রতি ৭৫০ সিএফটি ট্রাক বালুর মূল্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। গতকাল সোমবার (৭ জুলাই ২০২৬) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় পুলিশ সুপার, রাজশাহীর প্রতিনিধি, নৌ-পুলিশের প্রতিনিধি, নির্বাহী প্রকৌশলী (বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড), নির্বাহী প্রকৌশলী (গণপূর্ত অধিদপ্তর-১), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বাঘা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, গোদাগাড়ীর প্রতিনিধি, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রাজশাহী, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সেক্রেটারি, রেডার-এর সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট ইজারাদাররা অংশ নেন। সভায় রাজশাহীতে বালুর উচ্চমূল্য নিয়ে রাজশাহীর স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হবার বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের উক্ত সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রকাশিত সংবাদ ও বালুর মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তারা জানান, পরিবহন ব্যবস্থা সহজ করতে গোদাগাড়ীর বালুমহাল থেকে নৌপথে বালু এনে শহরের একটি নির্ধারিত স্থানে মজুদ করে সেখান থেকে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হলে পরিবহন ব্যয় কমবে এবং সাধারণ মানুষও নির্ধারিত মূল্যে বালু পাবে। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, “বাজারে কোনোভাবেই বালুর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের সুযোগ দেওয়া হবে না। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং সাধারণ মানুষের নির্মাণকাজ যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন নিয়মিত বাজার তদারকি করবে।” তিনি আরও বলেন, “নির্ধারিত মূল্যের বাইরে বালু বিক্রি, মজুতদারি কিংবা বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসন, ইজারাদার এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে বালুর বাজার স্থিতিশীল রাখা হবে।” সভায় বালুর মূল্য নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ব্যবস্থা তদারকি এবং স্থানীয় পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দুটি উপ-কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

 

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন