সর্বশেষ সংবাদ
সন্তান জন্মগ্রহণের সাথে একটি করে গাছ লাগানো আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী  গৃহস্থলী পুকুরে নতুন স্বপ্ন সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ১৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে রাজশাহীর বালুর মূল্যনিয়ন্ত্রণ-সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কড়া সতর্কতা ডিসির রাজশাহীর বালুর খনি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন শতভাগ ই-জিপির পথে এগোচ্ছে দেশ স্বপ্নে দেখা মানত পূরণ করতে গিয়ে ছোট যমুনায় ডুবে মারা গেলেন গৃহবধূ মোহনপুরে আড়াই হাজার মানুষের হাতে কৃষি ও উন্নয়ন প্রণোদনা

ভারতে মিললো রহস্যময় পাথরের পাত্রের কবর

Paris
Update : শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২

এফএনএস : ভারতে বিশালাকার রহস্যময় পাথরের পাত্র আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। ধারণা করা হচ্ছে, প্রাচীন মানব কবরের জন্য জারগুলো ব্যবহৃত হতো। বিবিসি’র অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য আসামের চারটি জায়গায় ৬৫টি বেলেপাথরের বয়াম বা জার ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। এর আগে লাওস ও ইন্দোনেশিয়ায় একই ধরনের পাথরের পাত্র পাওয়া গেছে। তবে জারগুলোর আকার-আকৃতি একই রকম নয়। কিছু বয়াম লম্বা এবং নলাকার, অন্যগুলো আংশিক বা সম্পূর্ণ মাটিতে পুঁতে রাখা। চলতি সপ্তাহে জার্নাল অফ এশিয়ান আর্কিওলজি জার্নালে আবিষ্কারের বিশদ বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে।

ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ এই গবেষণা কাজে জড়িত। গবেষণাটির নেতৃত্বে ছিলেন নর্থ-ইস্টার্ন হিল ইউনিভার্সিটির তিলোক ঠাকুরিয়া এবং গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তম বাথারি। গবেষণা দলের সদস্য অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একজন গবেষক নিকোলাস স্কোপাল বলেন, আমরা এখনও জানি না যে, কে বা কারা এই বিশালাকার জার তৈরি করেছে বা তারা কোথায় ছিল। তবে এটি একটি রহস্যের বিষয়। যদিও দৈত্যাকার জারগুলি কীসের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়, গবেষকরা বিশ্বাস করেন পাথরের জারগুলোতে সম্ভবত মৃতদেহের অন্ত্যোষ্টিক্রিয়ার সাথে যুক্ত।

স্কোপাল বলেন, নাগা (উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি জাতিগোষ্ঠী)সম্প্রদায়ের কাছে গল্প প্রচলিত রয়েছে, বয়ামগুলিতে দাহ করার পর দেহাবশেষের ছাঁই, পুঁতি এবং অন্যান্য বস্তুগত নিদর্শনগুলি খুঁজে পাওয়ার যেত। ডাঃ ঠাকুরিয়া বিবিসিকে জানান, বর্তমানে বয়ামগুলি খালি এবং সেগুলি সম্ভবত ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। ‘এই প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ হল এই জারগুলিকে খনন করে বের করা এবং ব্যাপকভাবে তালিকাভুক্ত করা।’ অতীতে আসাম এবং প্রতিবেশী মেঘালয় রাজ্যে একই রকম পাথরের জার আবিষ্কৃত হয়েছিল বলে গবেষকরা জানান।

আসামের ১০টি ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এ পর্যন্ত ৭০০ টিরও বেশি জার পাওয়া গেছে। গবেষকরা বিশ্বাস করে যে এই বয়ামগুলি প্রায় ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের। গবেষকরা বলেন, আসামের একটি খুব সীমিত এলাকা অনুসন্ধান চালানো হয়েছে এবং এখানে আরও অনেক পাথরের জার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা এখনও জানি না তারা কোথায়! স্কোপাল বলেন, আমরা তাদের খুঁজে পেতে যত বেশি সময় নেব, তাদের ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি, কারণ এই অঞ্চলে আরও ফসল লাগানো হয় এবং বন কেটে ফেলা হয়। ২০১৬ সালে আবিষ্কৃত লাওসের জারগুলি কমপক্ষে ২ হাজার বছর আগে ঝিয়েং খোয়াং প্রদেশে স্থাপন করা হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হতো।

গবেষকরা তখন তিনটি ভিন্ন ধরণের সমাধি আবিষ্কার করেছিলেন। উপরে একটি বড় চুনাপাথরের খণ্ড সহ গর্তে রাখা হাড়, সিরামিকের পাত্রে কবর দেওয়া হাড় এবং একটি কবরে একটি দেহ খুঁজে পেয়েছিলেন। আসাম এবং লাওসে পাওয়া জারগুলির আকার এবং গঠন খুব একই রকম। যদিও আকৃতি এবং আকারে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। আসামেরগুলি বেশি গোলাকার যেখানে লাওসেগুলি আরও নলাকার।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris