সর্বশেষ সংবাদ
এক বছরের মধ্যে সব স্থানীয় নির্বাচনের পরিকল্পনা নওগাঁয় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে ১০১ গ্রাহকের মুখে হাসি বিসিএস-এ রুয়েট শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য সাফল্য আরডিএ পার্ক ও রেস্ট হাউজের উদ্বোধন সীমান্ত পাহারার চেয়েও এখন সাইবার নিরাপত্তা বেশি জরুরি : তথ্যমন্ত্রী কোকের বোতলে ছিলো ঘাস নিধনের ঔষধ : পান করে যুবকের মৃত্যু! কর বৃদ্ধি ছাড়াই রাসিকের ১ হাজার ৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস ড্রেনে রক্তাক্ত আহত কুকুর, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

নিউজিল্যান্ড সফর শেষে যা বললেন মুমিনুল

Paris
Update : সোমবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২২

এফএনএস : ক্রাইস্টচার্চ থেকে অকল্যান্ড। অকল্যান্ড থেকে দুবাই। দুবাই থেকে ঢাকা। সফল নিউজিল্যান্ড সফর শেষে দীর্ঘ ভ্রমণের পর গত শনিবার বিকাল ৫টায় ঢাকায় পৌঁছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। দুই টেস্টের সিরিজটা ১-১ এ ড্র করার অপার তৃপ্তি নিয়ে দেশে ফিরেছেন মুমিনুল-লিটনরা। ২১ বছরের প্রাণান্ত চেষ্টার পর নিউজিল্যান্ডে প্রথম জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিকদের ৮ উইকেটে হারিয়েছিল মুমিনুল হকের দল। ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় টেস্ট হারলেও সফরটা সফলই বলতে হবে। গত শনিবার বিমানবন্দর থেকেই ক্রিকেটাররা যার যার বাসায় চলে গেছেন।

বিপিএলের অনুশীলনে নামার আগে কয়েক দিন ছুটিতে থাকবেন সবাই। টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন ও মুশফিকুর রহিম আগেই দেশে ফিরেছিলেন। বিদেশি কোচিং স্টাফের সদস্যরাও ছুটিতে স্বদেশে ফিরে গেছেন। বিমানবন্দরে অধিনায়ক মুমিনুল সাংবাদিকদের বলেছেন, কোনো জাদুমন্ত্র নয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী খেলা এবং দলীয় প্রচেষ্টাতেই জয় পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডে। গত শনিবার টাইগারদের ফেরা উপলক্ষে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন হাজারো ক্রিকেটপ্রেমী। শীতের সন্ধ্যায় এবাদত-তাসকিনদের বরণ করেছেন তারা।

নিউজিল্যান্ড জয়ের মন্ত্র জানাতে গিয়ে মুমিনুল বলেছেন, ‘কোনো কারিশমা না, কোনো জাদুমন্ত্র না। আমরা আমাদের প্রক্রিয়াটা ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি। দল হিসেবে খেলতে পেরেছি। বাংলাদেশ দল যখনই দল হিসেবে সবাই মিলে ভালো করে তখনই ফলাফল পক্ষে। এক জন, দুই জন ভালো করলে হয় না।’ কিউইদের বিপক্ষে জয় আসলে কেউই আশা করেনি। তবে অধিনায়কের মনে নাকি বড় কিছুর স্বপ্ন ছিল। গত শনিবার মুমিনুল বলেন, ‘আমার মনে হয় আপনারাও প্রত্যাশা করেননি, আমার দলেরও অনেকে করে নাই। হয়ত আমি প্রত্যাশা করেছি।’ এখন সামনের বিদেশ সফরগুলো নিয়েই ভাবছেন মুমিনুল।

তিনি বলেন, ‘একটা টেস্ট ম্যাচ জিতেছি, ওটার চেয়েও আমি উদ্বিগ্ন পরের সিরিজগুলো নিয়ে। আমাদের সামনে অনেক বড় সিরিজ, ভারতের বিপক্ষে সিরিজ, সাউথ আফ্রিকা সিরিজ, শ্রীলঙ্কা সিরিজ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ আছে। ঐ সিরিজগুলো আমাদের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। যেটা আমি অধিনায়ক হিসেবে মনে করি। আমাদের দিনে দিনে আরো উন্নতি করতে হবে।’ বিদেশে ভালো করতে হলে দেশের অভ্যন্তরে উইকেট পরিবর্তনের বিকল্প নেই।

মুমিনুল মনে করেন, একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের মানসিকতা পরিবর্তনও জরুরি। দেশের বাইরে গেলেও ভয় পাওয়ার কিছু নেই। টেস্ট অধিনায়ক বলেন, ‘অবশ্যই দরকার (স্পোর্টিং উইকেট)। তবে খালি সেটা হলেই হবে না, আমার কাছে যেটা মনে হয় বিদেশে খেলতে গেলে মাইন্ড সেটআপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন নিউজিল্যান্ডে খেলতে যাওয়ার আগে যদি ভাবি- নিউজিল্যান্ডে খেলতে যাব, কি না কি হবে। এভাবে ভাবলে হবে না। এখানে শরীরী ভাষা, ইতিবাচক থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।’


আরোও অন্যান্য খবর
Paris