স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমানে শ্রবণশক্তি হ্রাস পাচ্ছে শব্দ দূষণের প্রভাবে। অতিরিক্ত গাড়ির হর্ন বাজানো শব্দ দূষণের অন্যতম কারণ। যেটি প্রতিরোধে জনসচেতনতার পাশাপাশি ঘটাতে হবে আইনের প্রয়োগ। শ্রবণশক্তি হ্রাসরোধে আইন প্রয়োগের বিকল্প নেই। গতকাল শনিবার রাজশাহীতে পরিবহণ চালক, শ্রমিক ও সাংবাদিকদের নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর।
জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. নওশাদ আলী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্নতায় রাজশাহী দেশসেরা হলেও শব্দদূষণরোধে পিছিয়ে আছে। অপ্রয়োজনেও প্রতিনিয়ত হর্ন বাজানোর ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পাচ্ছে সাধারণ মানুষের।
রাজশাহীতে ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চালানো জরিপে সর্বোচ্চ ১৩৩ ডেসিবেল শব্দের মাত্রা ধরা পড়েছে। যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তারা বলেন, আইনের প্রয়োগ ঘটাতে হবে। শব্দ দূষণরোধে এবং গাড়িচালকদের আইন মেনে চলাতে বিভিন্ন সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে এটি জরিমানা বা শাাস্তি প্রদানে নয়, বরং সুস্থভাবে বেঁচে থাকার তাগিদে আইন মানাতেই এমনটা করা হয়।