আলিফ হোসেন, তানোর : রাজশাহীর তানোরে গৃহহীনদের গৃহনির্মাণ প্রকল্প নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছে, কোনো সম্ভাব্যতা যাচাই না করে অপরিকল্পিতভাবে ও নিম্নমাণের নির্মাণ সামগী ব্যবহার করায় এখানো সিংহভাগ বাড়ি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।জানা গেছে, এক লাখ ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকায় ভাসমান মানুষ বসবাসের উপযোগী পাকা বাড়ি তৈরি করা সম্ভব। কিন্ত্ত অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রকল্পের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ না দিয়ে ইউএনও সাহেবরা নিজেরাই ঠিকাদার নিজেরাই সাপ্লায়ার নিজেরাই বাস্তুকারের ভুমিকা পালন করেছে।
অথচ টাকা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরাধীন। কিন্ত্ত সেখানে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা প্রায়ই ক্ষেত্রে নেই। ইউএনও সাহেবরা কাজ করায় এসব কাজের মাঠ পর্যায়ে কোনো তদারকিও ছিল না। এই ধরণের অবহেলার দায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও এড়াতে পারে না বলে অভিমত সচেতন মহলের। ইতমধ্যে মাননীয প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একাধিক টিম এ বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে মাঠে নেমেছেন।
এদিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির উপদেষ্টা এলাকার সংসদ সদস্যগণ। কিন্তু অধিকাংশক্ষেত্র সংসদ সদস্যগণ এসব কাজের বিষয়ে অবহিত ছিলেন না এমনকি তাদেরকে অবহিত করাই হয়নি। ডিসি সাহেবদের ডাকে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও উদ্বোধনের দিন তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে অনিয়ম-দুর্নীতি হতে পারে বলে রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত কর্মচারীদের দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা, তবে সংশ্লিস্টদের দুর্নীতির কারণে সেটি বুমেরাং হয়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিস্ট এলাকাবাসী সরেজমিন প্রত্যক ঘরের তদন্ত দাবি করেছেন। এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও সংশ্লিস্ট বিভাগের দায়িত্বশীল কারো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।