এফএনএস : প্রায় এক মাস ধরে চলা ঘরোয়া ক্রিকেটের জমজমাট আসরের পর্দা নেমেছে। এবারের লিগে তারকা ক্রিকেটাররা অংশ নিলেও তাদের ছাপিয়ে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স ছিল উজ্জ্বল। সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সেরা তিনে অবস্থান মিজানুর রহমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও নুরুল হাসানের। অন্যদিকে শীর্ষ বোলারদের তালিকায় সাইফউদ্দিন থাকলেও কামরুল ইসলাম রাব্বি, তানভীর ইসলামও আলো ছড়িয়েছেন। ঢাকা লিগে ব্যাট হাতে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের মিজানুর রহমান।
১১ ম্যাচে ১১ সেঞ্চুরি ও ২ হাফসেঞ্চুরিতে মিজানের রান ৪১৮। শেখ জামালের বিপক্ষে ১০০ রান করেছিলেন মিজান। তার দল ব্রাদার্স সুপার লিগ খেললে অন্তত আরও দুইশো রান যোগ করতে পারতেন তিনি! তার গড় ৫২.২৫, স্ট্রাইকরেট ১৩৩.৯৭। রান সংগ্রাহকের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য মাহমুদুল হাসান জয়। তার দল প্রথম বিভাগে নেমে গেলেও ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন এই তরুণ। ওল্ড ডিওএইচএসের এই ক্রিকেটার ১৩ ম্যাচে করেছেন ৩৯২ রান। শীর্ষ তিনে আছেন নুরুল হাসান।
ঢাকা লিগে দারুণ পারফরম্যান্স করে তিন ফরম্যাটেই দলের সুযোগ করে নিয়েছেন এই উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান। নুরুল হাসান সোহান শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে ১৬ ম্যাচে ১৪ ইনিংসে ৩৮২ রান সংগ্রহ করেছেন। সর্বোচ্চ ৬৬, গড় ৩৮.২০, স্ট্রাইকরেট ১৫২.৮০। চতুর্থ স্থানে থাকা নাইম শেখ আবাহনীর হয়ে ১৬ ম্যাচে করেছেন ৩৭৫ রান।
অন্যদিকে নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ ম্যাচে ব্যাটিং করে ৩৬৮ রান করেছেন। এদিকে বোলিংয়ে সাফল্য পেয়েছেন তরুণ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ১৬ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। প্রায় প্রতি ম্যাচেই আবাহনীকে জেতাতে বল কিংবা ব্যাট হাতে ভূমিকা রেখেছেন সাইফউ। অন্যদিকে অনেকদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকা কামরুল ইসলাম রাব্বিও দারুণ ছন্দে বোলিং করেছেন পুরো লিগ জুড়ে। প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে ১৭ ম্যাচে তার শিকার ২৬ উইকেট।
যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের পেসার শরিফুল ইসলাম প্রাইম ব্যাংকের হয়ে ১৬ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে শীর্ষ তালিকার তিনে আছেন। শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে তানভির ইসলাম ১১ ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে অবস্থান করছেন চারে। পাঁচ নম্বরে আছেন শেখ মেহেদী হাসান। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের এই স্পিনার ১৭ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়েছেন।