রবিবার

১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
মেয়েদের জন্য ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের ঘোষণা যেন লোক দেখানো না হয় : জামায়াত আমির রাজশাহী কোর্ট কলেজে বরণ-বিদায় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা পেলেন কবি শামীমা নাইস ছোট্ট জান্নাতের মৃত্যু যেনো নাড়িয়ে দিলো প্রতিটি হৃদয় পবার ৬৬৯ পরিবার পেলো ফ্যামিলি কার্ড হাজার কোটি টাকার টার্গেট নিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় চার জন গ্রেপ্তার, অটোরিক্সা উদ্ধার রাজশাহীতে হোটেলের ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় ‘চাঁদাবাজ’ হিসাবে অপপ্রচারের অভিযোগ নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার মূল হোতাসহ ১৫ জন গ্রেফতার

তপ্ত রোদেও চাল সংগ্রহে ব্যস্ত ওরা

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১

আর কে রতন : তপ্ত রোদে মানুষ যখন বাইরে যেতে ভয় পান কিংবা একটু শীতল ঠান্ডা ছায়ায় অথবা নিহ ঘওে বসে বিশ্রাম নেন। ঠিক তখনই একদল নারী শ্রমিককে খালি পায়ে ইট-পাথরের তৈরী চাতালে ধান শুকাতে ব্যস্ত দেখা যায়। এরা হলেন চাতাল শ্রমিক। প্রচন্ড রোদ মাথায় নিয়ে দিনভর দিয়ে শ্রম ধান থেকে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাল প্র¯ুÍত করছেন এই শ্রমিকরা। দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে যা আয়-রোজগার যা হয়, তা দিয়েই কোন মত কষ্টের মধ্য দিয়ে জীবিকা চালানের চেষ্টা করছেন তারা। রাজশাহী জেলায় প্রায় শতাধিক ধান চাতাল রয়েছে। প্র্রত্যেক চাতালে ৫ থেকে ১০ জন পর্যন্ত শ্রমিক কাজ করে থাকেন।

পবার উপজেলার নওহাটা এলাকার চাতাল শ্রমিক আসাদ আলী জানান, চাতাল শ্রমিকদের আসতে হয় ভোরবেলা। বাড়িতে ফিরতে হয় রাত ৯টা বা ১০টার দিকে। ভোরে ধান সিদ্ধ করা আর সকাল থেকে ধান শুকানো আবার সন্ধ্যায় ধান ঘরে তোলা ও মাপযোগ করার কাজ করতে হয়। মোহনপুর সদর উপজেলার গ্রামের চাতাল শ্রমিক নুরবানু জানান, দিন-রাত কঠোর পরিশ্রমে ঘাম ঝরে শরীর থেকে। ভিজে যায় পরনের বস্ত্র। আচঁল দিয়ে বার বার মুখ মুছতে হয়। শরীরের ঘাম শরীরে মিলে যায়। ক্লান্ত শ্রান্ত তবুও ধান শুকাতে ব্যস্ত চাতাল শ্রমিকরা।

কখনো কখনো শরীর জিরাতে চলে যাই গাছতলায়। এতো শ্রম দিয়ে দিন শেষে আসে তিন- চারশো টাকা তা দিয়ে কোন মত পরিবার পরিজন নিয়ে দু‘মুঠো অন্ন মুখে আসে। বাগমারা উপজেলার চাতাল মালিক বাচ্চু জানান, আসলে চাতালে সবাই কাজ করতে পারে না। এখানে কাজ করতে অনেক ধোর্য্যরে প্রয়োজন। কারন চাতালে একটু শ্রম বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু প্রায় সারা বছর কাজ হয়ে থাকে। ফলে শ্রমিকদের পুঁশিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন আমরা যারা চাতাল মালিক আছি তারা সবাই শ্রমিকদের কাজের সঠিক মুজুরী দিয়ে থাকি। কারন শ্রমিক ছাড়া তো আমাদের চাতাল চালানো সম্ভব নয়।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris