এফএনএস : প্রতিপক্ষ অধিনায়কের মাইলফলকের ম্যাচ, অভিনন্দন তো জানাতেই হয়। তবে তার বেশি ভালো চাওয়া মানে তো নিজেদের বিপদ ডেকে আনা! তামিম ইকবাল তাই টম ল্যাথামকে শুভেচ্ছা জানিয়েও মজা করে বললেন, শুভ কামনা সবটুকু নয়। বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ল্যাথামের শততম ওয়ানডে। নিয়মিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের অনুপস্থিতিতে এই সিরিজে নিউ জিল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেবেন ২৮ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানই। দেশের হয়ে ১০০ ওয়ানডে খেলতে পারা, দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারা ল্যাথামের কাছে স্বপ্নের মতো। সিরিজ শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে তিনি বললেন, এই অর্জনে কতটা গর্ব মিশে আছে।
“খুবই রোমাঞ্চকর এটি। দেশের হয়ে একটি ম্যাচ খেলতে পারাও বড় ব্যাপার। সেখানে ১০০ ম্যাচ খেলা, সঙ্গে দলকে নেতৃত্বও দেওয়া দারুণ কিছু। এতগুলো ম্যাচ খেলতে পেরে ও দলকে নেতৃত্ব দিতে পারি আমি অবশ্যই খুবই গর্বিত।” “গর্বটা অনেক বড়। নিউ জিল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিতে পারা অনেক সম্মানের। সবাই এমন কিছুর স্বপ্ন দেখে, আমাকে আবার সুযোগটি দেওয়া দারুণ ব্যাপার। আশা করি সিরিজটি ভালোভাবে শুরু করতে পারব।” পাশে দাঁড়িয়ে ল্যাথামের কথা শুনছিলেন তামিম।
শততম তো বটেই, দুইশ ওয়ানডে খেলার স্বাদও তিনি জানেন। এই সিরিজ শুরু করবেন ২১০ ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে। বাংলাদেশ অধিনায়ক ল্যাথামকে শুভেচ্ছা জানালেন, কৌতুকও করলেন একটু। “এটা দারুণ অর্জন। কালকে শততম ওয়ানডে খেলতে নামছে, ওকে অভিনন্দন জানাই। আমরা পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছি বেশ কবার। আমার মনে আছে, আয়ারল্যান্ডে একবার সে নিউ জিল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়েছিল (২০১৭ সালে)। নিজের শততম ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারা অনেক গর্বের ব্যাপার।
আমি তাকে শুভ কামনা জানাই, তবে খুব বেশি নয় (হাসি)।” নানা সময়ে উইলিয়ামসনের অনুপস্থিতিতে নিউ জিল্যান্ডকে ২ টেস্ট ও ১০ ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ল্যাথাম। অধিনায়ক হিসেবে তার ব্যাটিং রেকর্ড দারুণ। এমনিতে তার ক্যারিয়ার গড় ৩২.৮৭ ও স্ট্রাইক রেট ৮৩.৪১, কিন্তু নেতৃত্বের ১০ ম্যাচে গড় ৪৯.৮৮ ও স্ট্রাইক রেট ৯৩.৩৪। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩টি ওয়ানডেতে নেতৃত্বে দিয়ে ল্যাথাম খেলেছেন ৫৪, ৮৪ ও ৫৯ রানের ইনিংস। তামিমের শুভ কামনায় কিছুটা খামতি রাখা তাই স্বাভাবিকই!