সর্বশেষ সংবাদ
বাগমারায় ভুয়া চিকিৎসকের ৬ মাসের কারাদণ্ড, ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা মোহনপুরে র‌্যাবের অভিযানে জাল টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার, সমিতির কর্মচারী গ্রেপ্তার আমিরপুর খেয়াঘাট অতিরিক্ত টোল আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : রাসিক প্রশাসক আকস্মিক মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ‘রাজশাহীর আবাসন খাতে চরম বিপর্যয়’ মালয়েশিয়া-চীন সফরের অর্জন দেশের মানুষের : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সামাদ, সম্পাদক আসাদ রাজশাহী কারাগারে বাবার কোলে ওঠার সুযোগ পেলো ফুটফুটে শিশু ইতিহাস গড়লো রুয়েটের ‘টিম বেঙ্গলসাব’ মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে র‌্যালি, আলোচনাসভা

যেন জেলখানায় আছি : মিরাজ

Paris
Update : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১

নিউজিল্যান্ডে সিরিজ খেলতে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি বাংলাদেশ দল। পাশাপাশি রুম, কিন্তু না পারছেন কেউ কারো সঙ্গে দেখা করতে না পারছেন বিদেশ বিভুঁইয়ে টিম মেটদের পাশে বসে কথা বলতে! স্রেফ সেলফোনের ভিডিও কলে পরিবার ও সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলেই ক্ষান্ত থাকতে হচ্ছে। প্রবল ইচ্ছে থাকা সত্বেও লিংকন ইউনির্ভাসিটির ওই হাই-পারফরম্যান্স সেন্টারের কোয়ারেন্টাইন নিয়ম ভেঙে কেউ বেরিয়ে আসতে পারছেন না! -এফএনএস

ওখানকার সার্বিক পরিস্থিতি জেলখানার মতোই মনে হচ্ছে বাংলাদেশ দলের অফস্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজের কাছে। তবে দিন দুয়েক হল বদ্ধ কামড়া থেকে বেরুতে পারছেন। আর তাতেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচা। শনিবার ও রোববার আধা ঘণ্টা করে বাইরে বেরুতে পেরেছে টিম টাইগার্স। কিন্তু করোনা সতর্কতায় সবাইকেই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে হাঁটতে হয়েছে, কথা বলতে হয়েছে। পক্ষান্তরে আগের তিন দিন এক মুহূর্তের জন্যও বাইরে বের হওয়া সম্ভবপর হয়ে উঠেনি। সব মিলে কোয়ারেন্টাইনের সময়টা দূর্বিসহই কাটছে সফরকারিদের।

রোববার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পাঠানো ভিডিও বার্তায় কথাগুলো বলছিলেন মিরাজ। তার মুখেই শুনন, ‘প্রথম তিনদিন তো রুমের ভেতরেই ছিলাম। তারপর আধাঘণ্টা করে বের হওয়ার সুযোগ পেয়েছি সবাই। আমি প্রথম যেদিন বেরিয়েছিলাম গতকালকে, শুরুর দিকে মাথা একটু ঘুরছিল। তারপর আস্তে আস্তে ১০-১৫ মিনিট পর ঠিক হয়ে গিয়েছিল। যে তিনদিন ঘরের ভেতর বন্দি ছিলাম, আমার নিজের কাছে মনে হয়েছে যে জেলখানায় আছি। হতাশা আছে কিন্তু যখন বাইরে বেরিয়ে আসলাম, আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়ালাম, তখন একটু ভালো অনুভূত হয়েছে।

যখন ঘরে গিয়েছি, তখন নিজেকে একটু ফ্রেশ মনে হয়েছে। সারাদিন ঘরে থাকতে তো আর ভালো লাগে না। তিন-চারদিন ঘরে কাটানো, একইভাবে… এটা আসলে একটু আমাদের জন্য অস্বস্তিকর। এই যে ত্রিশ মিনিটের জন্য বাইরে আসতে দেয়, এটা ভালো লাগে যখন রুমে যাই।’ ‘বুঝতেই পারছেন কী রকম কাটছে। এই প্রথম হোটেলের ভেতর এরকম পাঁচটা দিন কাটিয়েছি। প্রথম দিকে সময় কাটছিল না। কারও সঙ্গে দেখাই হয়নি। প্রথম তিনদিন তো কারও সাথে দেখাসাক্ষাৎ হয়নি। ফোনে-ফোনে কথা হয়েছে সবার সাথে, ভিডিও কলে কথা হয়েছে (হাসি) রুম টু রুম। সময়টা কেটে যেত, বডি ফিটনেস ভালো হতো। যেহেতু অপর্চুনিটি নেই, দুই-তিনদিন পর স্টার্ট হবে… আশা করি তখন ইনশাআল্লাহ্ বেটার হবে।’


আরোও অন্যান্য খবর
Paris