২৫ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

রাজশাহীর ‘স-মিল’গুলোতে প্রস্তুত হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার উপকরণ ফ্রেম

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: স্পেশাল নিউজ
রাজশাহীর ‘স-মিল’গুলোতে প্রস্তুত হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার উপকরণ ফ্রেম
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনার কমতি নেই। ইতোমধ্যেই নির্বাচন কমিশন থেকে অধিকাংশ অঞ্চলেই বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রণয়ন হয়েছে। দল থেকে দেয়া নমিনেশন অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর ছয়টি আসনেও বিভিন্ন দল থেকে চুড়ান্ত করা হয়েছে প্রার্থীদের নামের তালিকা। আগামী ২১ জানুুয়ারী প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী আমেজ উদ্দীপনা বৃদ্ধি পাবে কয়েকগুণ বলে মন্তব্য দলের নেতাকর্মীদের। এর আগেরদিন ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত রয়েছে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য নির্ধারিত দিনক্ষণ। গত ৩ জানুয়ারি সকাল থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত রাজশাহী ডিসি অফিস সভাকক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আক্তারের সভাপতিত্বে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত সভায় ৩৮ প্রার্থীর মধ্যে ১৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। রাজশাহী-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ নিয়ে লড়াই করবেন মেজর জেনারেল অব. শরিফ উদ্দিন। এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু এবং জামায়াতে ইসলামীর ডা. মো: জাহাঙ্গীর। রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ও জামায়াতের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতের প্রার্থী ডা: আব্দুল বারী সরদার। রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মওলানা মনজুর রহমান। রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ ও জামায়াতের প্রার্থী নাজমুল হক লড়বেন নিজ নিজ দলের প্রতীক নিয়ে। আর মাত্র দুই থেকে তিন পরেই প্রতীক বরাদ্দের ঘোষণা দেবে নির্বাচন কমিশন। সেই ঘোষণার পর থেকে কোনক্রমেই যেনো সময়ক্ষেপন না হয় সেলক্ষ্যে প্রার্থীরা অন্যান্য কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার উপকরণ তৈরিতে চরম ব্যস্তসময় পার করছেন। রাজশাহী নগরীর অধিকাংশ ‘স-মিল’গুলোতে লক্ষ্য করা গেছে প্রচার উপকরণ তৈরির জন্য হাজার হাজার ফ্রেম ইতোমধ্যেই তারা বানিয়ে রেখেছেন। কোন কোন ‘স-মিলে’ তৈরিকৃত ফ্রেমের সংখ্যা প্রায় আট-দশ হাজারে ছাড়িয়েছে। একেকজন প্রাথী সর্বোচ্চ কতগুলো ব্যানার-পোস্টার-লিফলেট ও অন্যান্য প্রচার উপকরণ ছাপাতে পারবেন সেটার নির্দিষ্ট একটা সংখ্যা নির্বাচন কমিশন থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হয়। কিন্তু নগরীর ‘স-মিল’সহ অন্যান্য স্থানে তৈরিকৃত প্রচার উপকরণের সংখ্যা দেখে প্রাথমিকভাবে বোঝাই যাচ্ছে, এবার সেই নিয়মনীতির কিছুটা হলেও ব্যতয় ঘটবে বলে মন্তব্য অনেকের। কোন প্রার্থী কতগুলো প্রচার উপকরন তৈরির অর্ডার দিয়েছে সেটি জানতে চাইলে কার্যাদেশ পাওয়া বা তৈরি করার অনুমতি পাওয়া ‘স-মিল’ মালিক মুখ খুলতে চাননি। তবে, প্রচার উপকরণ তৈরির সংখ্যা ও অন্যান্য আয়োজন দেখে বোঝাই যাচ্ছে এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমূখর।

 

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন