বৃহস্পতিবার

২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আঞ্চলিক পর্যায়ের সমাপনী অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় সেনা সদস্যরা ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে : সেনাপ্রধান ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন নগরী পাবেন রাজশাহী মহানগরবাসী : রাসিক প্রশাসক নগরীর দুই হত্যা মামলায় ৯ জন গ্রেপ্তার, তালিকা হচ্ছে কিশোর গ্যাং সদস্যদের নাচোলে পাল্টে যাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবার চিত্র পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খননে নতুন নির্দেশনা দিলো ভূমি মন্ত্রণালয় আরএমপি কমিশনার-রাসিক প্রশাসকের মধ্যে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক বিনিময় সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর : এমপি মিলন

মানুষ কি ফেরেশতাকে দেখতে পারে?

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ফেরেশতা আল্লাহ তায়ালার বিস্ময়কর সৃষ্টি। ইসলামী বিশ্বাস মতে, আল্লাহর নির্দেশে লোকচক্ষুর আড়ালে তারা বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত। হাদিসে ফেরেশতাদের বিস্ময়কর জীবনযাপন নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। আল্লাহ তায়ালার বার্তা নিয়ে নবী-রাসুলদের কাছে অসংখ্যবার আগমন করেছেন জিবরাঈল (আ.)-সহ বিভিন্ন ফেরেশতা। নবীদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষেও ফেরশতার সাক্ষাৎ লাভ সম্ভব। পবিত্র কোরআন থেকেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হজরত মারইয়াম (আ.), লুত (আ.) ও ঈসা (আ.)-এর ঘটনা থেকে বিষয়টি প্রমাণিত। আল্লাহ তায়ালা হজরত মারইয়াম (আ.)-এর কাছে মানুষের আকৃতিতে জিবরাইল (আ.)-কে পাঠিয়েছিলেন। কোরআনের বর্ণনা থেকে জানা যায়, তিনি মারইয়ামের সামনে একজন পরিপূর্ণ মানুষের রূপে উপস্থিত হন। একইভাবে হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর কাছেও ফেরেশতারা মানুষের বেশে উপস্থিত হয়েছিলেন। শুরুতে তিনি বুঝতেই পারেননি যে, তারা ফেরেশতা। পরে ফেরেশতারাই নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করেন। কোরআনে এ ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এসেছে। হজরত লুত (আ.)-এর কাছেও ফেরেশতারা সুদর্শন যুবকের আকৃতিতে এসেছিলেন। তাদের দেখে লুত (আ.) উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন, কারণ তার সম্প্রদায় নৈতিকভাবে অধঃপতিত ছিল। কোরআনে ঘটনার কথাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কোরআনের বর্ণনার প্রেক্ষিতে আলেমদের মতামত হলো- মানুষের পক্ষে ফেরেশতাকে দেখা সম্ভব। জাগ্রত এবং ঘুমন্ত উভয় অবস্থায় ফেরেশতাদের দেখা সম্ভব। তবে জাগ্রত অবস্থায় হোক বা স্বপ্নে, নিশ্চিতভাবে এ দাবি করার সুযোগ নেই যে, তিনি ফেরেশতাকেই দেখেছেন। কারণ, ফেরেশতা হিসেবে কোনো সত্তাকে শনাক্ত করার বিষয়টি আল্লাহ তায়ালার ওহীর ওপর নির্ভরশীল। এমনকি ইব্রাহিম ও লুত (আ.)-এর মতো নবীরাও শুরুতে ফেরেশতাদের চিনতে পারেননি। সুতরাং সাধারণ মানুষের পক্ষে নিশ্চিতভাবে তা নির্ণয় করা অসম্ভব হিসেবেই গণ্য।-এফএনএস


আরোও অন্যান্য খবর
Paris