শনিবার

১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
হাজার কোটি টাকার টার্গেট নিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় চার জন গ্রেপ্তার, অটোরিক্সা উদ্ধার রাজশাহীতে হোটেলের ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় ‘চাঁদাবাজ’ হিসাবে অপপ্রচারের অভিযোগ নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার মূল হোতাসহ ১৫ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী শুধু স্বপ্ন দেখাচ্ছেন না, স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করেও দেখাচ্ছেন : রাসিক প্রশাসক বন্ধ চিনিকলগুলোতে আশার আলো মোস্তফার ভরসা বুকে বাঁধা বেয়ারিং গাড়ি রাজশাহীকে পরিকল্পিত মহানগর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে: ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীর লিচুতে ৬০ কোটি টাকা বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা অবশেষে জেল ফটকে অপেক্ষারত তিন শিশু ফিরে পেল মায়ের কোল

বিমানের শব্দে পরীক্ষার্থীদের সমস্যা হবে ভেবে দেশজুড়ে সব ফ্লাইট বন্ধ রাখল দক্ষিন কোরিয়া

Paris
Update : শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

দক্ষিণ কোরিয়ার বহুল পরিচিত কঠিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ‘সুনেউং’-এ অংশ নিতে এ বছর অর্ধ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী বসেছিল পরীক্ষার হলে। পরীক্ষার্থীরা যেন সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারে, তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। এমনকি পরীক্ষার ইংরেজি অংশের শ্রবণ-অনুধাবন চলাকালে দেশের সব ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মোট নিবন্ধন করেছে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৪ জন, যা গত বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই ২০০৭ সালে জন্ম নিয়েছে। সেই বছরটিকে কোরিয়ানরা শিশুজন্মের জন্য ‘শুভ বছর’ মনে করায় সে সময় জন্মহার বেড়ে গিয়েছিল। ইনচিয়নসহ সব আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫ মিনিট থেকে ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রভাবে ১৪০টি ফ্লাইট স্থগিত থাকে বা আকাশে চক্কর দিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। পরিবহন মন্ত্রণালয় ৩ হাজার মিটারের নিচে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা নিঃশব্দে পরীক্ষা দিতে পারে। সকাল থেকে দেশের আর্থিক বাজার ও সরকারি–বেসরকারি অফিসগুলোও এক ঘণ্টা দেরিতে খোলা হয়, যেন পরীক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের যাতায়াতে কোনো সমস্যা না হয়। নয় ঘণ্টাব্যাপী এই পরীক্ষা দক্ষিণ কোরিয়ার অতি প্রতিযোগিতামূলক সমাজে ভবিষ্যৎ সাফল্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে শুরু হয়ে পরীক্ষাটি শেষ হয় ৫টা ৪০ মিনিটে। তবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ দশমিক ৭ গুন বেশি সময় দেওয়া হয়। আর এর সঙ্গে যদি কেউ অতিরিক্ত বিদেশী ভাষা বিষয়ক বিভাগ পছন্দের তালিকায় রাখেন তাহলে তাকে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত পরীক্ষার হলে থাকতে হতে পারে। এক পরীক্ষার্থীর মা ইয়েসয়ন কিম বলেন, ‘এই পরীক্ষা আমাদের মেয়ের প্রায় ২০ বছরের প্রস্তুতির ফল এবং একই সঙ্গে তার নতুন শুরুও।’ ২০০৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহারে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছিল। সে বছর মোট ৪ লাখ ৯৬ হাজার শিশু জন্ম নেয়, যা মধ্য নব্বই দশক থেকে চলমান জন্মহারের পতনকে সাময়িকভাবে থামিয়ে দিয়েছিল। এ কারণে এই বছর পরীক্ষার্থী সংখ্যাও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।-এফএনএস


আরোও অন্যান্য খবর
Paris