৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ৩৯টির সীমানায় পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। সংসদীয় আসনের জনসংখ্যা, ভোটার সংখ্যাসহ সামগ্রিক বিষয় সামনে রেখে এই পরিবর্তন আসছে বলে জানান তিনি। বুধবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষায়িত কারিগরি কমিটি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নিধারণে সুপারিশ জমা দিয়েছে। সংসদীয় ৩০০ আসনের মধ্যে ৩৯টির সীমানা পরিবর্তন হচ্ছে। গাজীপুরে একটি আসন বাড়ছে এবং বাগেরহাটে একটি আসন কমছে। তিনি বলেন, সীমানা পুনঃনির্ধারণ আইন-২০২১ এর ৬ ধারায় বলা হয়েছে, সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং আদমশুমারি- এ তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। তবে আদমশুমারি-২০২২ অনুযায়ী কিছু বিষয় আছে একটু অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আমাদের কাছে হালনাগাদ ভোটার তালিকা আছে। এছাড়া ভোটার তালিকার ভিত্তিতে, ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে আমাদের কমিটি গড় আসনভিত্তিক ভোটার সংখ্যা নির্ধারণ করেছে ৪ লাখ ২০ হাজার সামথিং। অর্থাৎ, ৩০০ আসনের গড় ভোটার সংখ্যা হলো ৪ লাখ ২০ হাজার। ওনারা ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে একটা গ্রেডিং করেছেন, সেটি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ভোটার কোন জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোটার কোন জেলায়। কারিগরি কমিটি সবচেয়ে বেশি ভোটার যে জেলায় সেখানে একটি আসন বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে এবং সর্বনিম্ন ভোটার যে জেলায় সেখানে একটি আসন কমানোর প্রস্তাব করেছে। সেই আলোকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টেকনিক্যাল কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ভোটার হচ্ছে গাজীপুর। আর বাগেরহাট জেলায় সবচেয়ে কম। মানে বিশেষায়িত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারা ভোটার সংখ্যা এবং জনসংখ্যা বিশ্লেষণ করে প্রস্তাব করেছে যে বাগেরহাট একটি আসন কমবে, গাজীপুরে একটি আসন বৃদ্ধি পাবে। যে ৩৯ আসনের সীমানায় পরিবর্তন আসছে সেগুলো হলো- পঞ্চগড়-১, ২; রংপুর-৩; সিরাজগঞ্জ-১, ২; সাতক্ষীরা-৩, ৪; শরীয়তপুর-২, ৩; ঢাকা-২, ৩, ৭, ১০, ১৪, ১৯; গাজীপুর-১, ২, ৩, ৫, ৬; নারায়ণগঞ্জ-৩, ৪, ৫; সিলেট-১, ৩; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ৩; কুমিল্লা-১, ২, ১০, ১১; নোয়াখালী ১, ২, ৪, ৫; চট্টগ্রাম-৭, ৮; ও বাগেরহাট-২, ৩ আসনের সীমানা পরিবর্তন করা হয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, গাজীপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি ভোটার থাকায় এবং বাগেরহাটে ভোটার সংখ্যা কম হওয়ায় যথাক্রমে গাজীপুর ও বাগেরহাটে একটি করে আসন বাড়ানোর ও কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণে গঠিত কারিগরি বিশেষায়িত কমিটি। গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সীমানা পুনঃনির্ধারণ আইন-২০২১ এর ৬ ধারায় বলা হয়েছে, সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং আদমশুমারি- এ তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এই সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। তবে আদমশুমারি ২০২২ অনুযায়ী, কিছু বিষয় আছে একটু অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আমাদের কাছে আছে হালনাগাদ ভোটার সংখ্যা। এছাড়া আমাদের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে, ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে কমিটি গড় আসনভিত্তিক ভোটার সংখ্যা নির্ধারণ করেছেন। সেটি হলো ৪ লাখ ২০ হাজার সামথিং, অর্থাৎ ৩০০ আসনে গড় ভোটারের সংখ্যা হলো ৪ লাখ ২০ হাজার। ওনারা ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে একটা গ্রেডিং করেছেন, সেটি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ভোটার কোন জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোটার কোন জেলায়। কারিগরি কমিটি ফাইন্ড আউট করেছে যে, সবচেয়ে বেশি ভোটার যে জেলায় সেখানে একটি আসন ওনারা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে এবং সর্বনিম্ন ভোটার যে জেলায় সেখানে একটি আসন কমানোর প্রস্তাব করেছে। তিনি বলেন, টেকনিক্যাল কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ভোটার হচ্ছে গাজীপুরে। আর বাগেরহাট জেলায় সবচেয়ে কম ভোটার। মানে বিশেষায়িত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারা ভোটার সংখ্যা এবং জনসংখ্যা বিশ্লেষণ করে প্রস্তাব করেছে যে বাগেরহাটে একটি আসন কমবে, গাজীপুরে জনসংখ্যা ও ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে একটি আসন বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেন, আমরা ৬৪ জেলার গড় ভোটার সংখ্যা নির্ধারণ করেছি ৪ লাখ ২০ হাজার। দেখা গেছে, ৪ লাখ ২০ হাজারের উপরের যে আসনগুলো বা জেলাগুলো সেখানে যদি একটা আসন আমরা বাড়াই শুধু গাজীপুর জেলায় এই সংখ্যা গড়ের উপরে থাকে। আর বাকিগুলো গড়ের নিচে চলে আসে। যার কারণে বাকিগুলোর বাড়ানোর যে প্রস্তাব সেটি তারা দেয়নি আর গড়ের নিচে যে কয়টা আছে শুধু দেখা গেছে, বাগেরহাটেরটা কমালে মোটামুটিভাবে গাড়ের কাছাকাছি থাকে।-এফএনএস