বুধবার

২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
৬-৮ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হবে: রাসিক প্রশাসক চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মান্দার ৯ যুবক, শোকে স্তব্ধ তিন গ্রাম প্রবাসীর রেমিট্যান্স দেশের অন্যতম আয় হলেও জনশক্তি রপ্তানিতে ধস রাজশাহী থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামে পশু নিতে পথে পথে দিতে হচ্ছে চাঁদা ভুয়া দলিলে অতিরিক্ত সম্পত্তি নামজারী মামলায় দলিল লেখক-শিক্ষক কারাগারে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন রাসিকের ১২৩৭ পরিচ্ছন্নতাকর্মী টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহতদের ১০ জন মান্দার, পরিবারে শোকের মাতম রাসিকের পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চেক হিসাব বিভাগে হস্তান্তর রাজশাহী বিসিক-১ বিসিক-২ এর অচলবস্থা কাটিয়ে উঠতে উদ্যোগ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে আত্মশুদ্ধির নতুন অধ্যায়

পত্নীতলায় ভূমি অফিসের দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে দুদক ও ডিসিকে অভিযোগ

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫

রবিউল ইসলাম, পত্নীতলা : নওগাঁর পত্নীতলায় দিবর-শিহাড়া-নির্মইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অনিয়ম ঘুষ বাণিজ্য ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে নওগাঁ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও নওগাঁ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে ৮ জন ভুক্তভোগীর পক্ষে ভুক্তভোগী মোঃ মেজবাবুল হোসেন ও এনসিপির নওগাঁ জেলার একটি টিম এই অভিযোগ দুদক ও জেলা প্রশাসক বরাবর জমা দেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পত্নীতলা দিবর-শিহাড়া-নির্মইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এনামুল হক, উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা জাফর উদ্দিন, প্রসেস সার্ভার গোলাম কিবরিয়া ও পিওন মিজানুর এবং ঐ অফিসের প্রকাশ্য দালাল চক্র খোরশেদ আলম তারা ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করছেন না। এমনকি যারা ঘুষ দিতে চায়না তাদের কোন কাজ হয়না।
ভুক্তভোগী মেজবাবুল হোসেন বলেন, আমি খাজনা দিতে গেলে অফিসের সহকারী নায়েব জাফর বলেন যে ৩০০ টাকা লাগবে না দিলে হোল্ডিং এর হিসাব দিবে না। এরপর আমি যাই প্রধান নায়েব এনামুল হকের কাছে। উনার চাহিদা আরো বেশি। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় উনারা আমার সাথে চরম দূর ব্যবহার করেন। প্রকাশ্য দালাল খোরশেদ আলম আমাকে বিপদে ফেলার জন্য আমার হোল্ডিং থেকে জমির পরিমাণ কম করে দেন।
ভুক্তভোগী আলম বলেন, আমি জমি খারিজের জন্য উক্ত অফিসে গেলে এনামুল হক ও দালাল খোরশেদ আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে এবং মোটা অংকের টাকা ঘুষ নেয়। ভুক্তভোগী মোকছেদুল ইসলাম বলেন, আমি জমির খাজনার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে অফিসের প্রধান এনামুল হক তার দালাল খোরশেদ এর মাধ্যমে আমার কাছে টাকা চায়। কিন্তু আমি যখন আমার আর্মির পরিচয় দেয় তখন টাকা দেওয়া লাগেনা। কিন্তু সাধারণ মানুষ কিভাবে মাফ পাবে। এনসিপির নওগাঁ জেলার অন্যতম সংগঠক ইমরুল আখিয়ার পরাগ ও আসাদুজ্জামান জানান, আমরা এনসিপির ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের একটি টিম দুদক ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতে আকারে প্রমাণসহ জমা দিয়েছি। যারা স্বৈরাচারের দোসর তারা যেন কোনভাবেই ছাড় না পায়। আমরা আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষরা এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris