স্টাফ রিপোর্টার : দীর্ঘ সময় পর অবশেষে দখলমুক্ত হলো নগরীর সবচেয়ে ব্যস্ততম স্থান বড় মসজিদ মোড়। জিরো পয়েন্টের এইস্থানটি বছরের পর ধরে ছিল দখলদারদের কব্জায়। নগরীর সাহেব বাজার বড় মসজিদটি শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদ। আর এই মসজিদের সামনের বিশালাকার জায়গা দখল করে বছরের পর বছর ভ্রাম্যমান ও অস্থায়ী ব্যবসায়িরা সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যবসা করতো। ফুসকা, চটপটি, আখের রস, ফলসহ মুখরোচক বিভিন্ন ধরণের পণ্য নিয়ে পসড়া বসাতো ব্যবসায়ীরা। তাই স্বাভাবিক কারনেই মসজিদের আশেপাশে স্তপ জমতো ময়লা আবর্জনার। এছাড়াও সাহেব বাজারে আসা ক্রেতা, ব্যবসায়ি ও পথচারিদের সাবলীল চলাফেরায় সর্বোচ্চ বাধা হিসেবে প্রতীয়মান হতো দখলদারিত্বে থাকা স্থানটি।
সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টকে বলা হয়ে থাকে নগরীর ব্যবসায়ী পরিমন্ডলের মধ্যমনি ও প্রানকেন্দ্র। তাই স্বাভাবিক কারনেই স্থানটিকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের আনাগোনা থাকতো সার্বক্ষণিক। আর এই দখল হওয়া স্থানটির জন্য প্রতিনিয়তই জ্যামের সাথে যুদ্ধ করতে হতো চালক ও পথচারিদের। প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হত হাজার হাজআর গাড়ি ও পথচারিদের।
গত ২৮ অক্টোবর রাত্রি দশটার সময় যৌথবাহিনী দখল হওয়া স্থানটি দখলমুক্ত করেছে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দেয়া তথ্যমতে, রাত্রি আটটার দিকে স্থানটি থেকে ভ্রাম্যমান ও অস্থায়ী ব্যবসায়িদেরকে দখল করে রাখা বিশালাকার স্থানটি খালি করতে বলে। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সাহেব বাজার বড় মসজিদ কর্তৃপক্ষ একাধিকবার স্থানটি অবমুক্ত করার কথা বললেও দখলদাররা তা কখনোই কর্ণপাত করেনি। অবশেষে, বিভাগীয় পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে গতকাল রাতে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ আসে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে। কিন্তু ব্যবসায়ীদের কঠোর বাধারমুখে পরে প্রশাসন। অবশেষে সেনাবাহীনি ও পুলিশের যৌথ তৎপরতায় অবমুক্ত হয় দখলে থাকা স্থানটি। উচ্ছেদের পর ঐসকল ব্যবসায়ীদেরকে গণকপাড়া মোড়ে ব্যবসা করার অনুমতি দেয় কর্তৃপক্ষ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যবসায়ীরা জানান, উচ্ছেদকালীন সময়ে দায়িত্বরতরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অপসারণ করতে বা সরিয়ে নিতে মাত্র পাচমিনিট সময় বেধে দেয়।