স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে বসানো হয়েছে ‘টিকিট ভেন্ডিং মেশিন’ স্থাপন করা হয়েছে। মে মাসে স্থাপন হলেও জুন মাসে সেটির অফিসিয়ালি উদ্বোধনের কথা ছিল। নানা কারণে সেটি আজও সম্ভব হয়নি। উপায়ন্তর না দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চালু করে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে। প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও যাত্রী ও সেবাগ্রহীতারা সেই ভেন্ডিং মেশিন থেকে একটি টিকেটও ক্রয় করেনি বলে জানান মেশিনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। মোট দুটো টিকেট ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করা হয়েছে স্টেশনের ভেতরে।

নগদ, বিকাশ, রকেট ও উপায় এ্যাপস্ ব্যবহার করে খুব সহজেই ট্রেনের টিকেট কাটার সুন্দর ব্যবস্থা থাকার পরেও কেনো যাত্রীরা সেখান থেকে টিকেট কাটছেনা প্রশ্নের কোন জবাব পাওয়া আসেনি দায়িত্বরতদের কাছ থেকে। বুথটির সার্বিক দিক জয়েন্ট ভেঞ্চার পদ্ধতিতে দেখভাল করছে ‘সওজ-সিনেসিস-ভিনসেন-জেভি’ নামের একটি আইটি ফার্ম।
বুথের পাশে টিকেট কাউন্টারে দাড়িয়ে থাকা যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে অনাগ্রহের কারণ। যাত্রীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, এই বুখ থেকে যে টিকেট ক্রয় করা যায়, সেটি আমরা জানিইনা। বুথটির বহিরাবরণে বা বাইরের কোথাও কোন প্রকার স্টিকার না থাকার কারণে বোঝার কোন উপায় নেই যে এটি থেকে টিকেট ক্রয় করা যায়। যাত্রীদের কথা শোনার পর বুথটির ভেতরে গিয়ে সরেজমিনে পরীক্ষা করে দেখাযায়, কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই অতিসহসায় সেই ভেন্ডিং মেশিন দিয়ে যে কোন গন্তব্যস্থানের টিকেট ক্রয় করা যায়। যাত্রীরা যে ট্রেন ও গন্তব্যে যাবে সেই বাটনে চাঁপ দিলেই ডিসপ্লেতে উঠে আসবে টিকেট ও ফাঁকা থাকা আসনের একটি চিত্র। অতঃপর ক্রেতার নাম্বারে আসবে একটি ওটিপি নাম্বার। সেটি যথাযথ নিয়মে ডায়াল করা মাত্রই আসবে ভেরিফিকেশন নাম্বার। সেটি ডায়াল করা মাত্রই নিজের মোবাইলের নগদ-বিকাশ কিংবা অন্যকোন এ্যাপস্ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এ্যাপস্ থেকে টাকা কর্তন সাপেক্ষে বুথ থেকে বেড়িয়ে আসবে গন্তব্যে যাবার টিকেট। কোন প্রকার ঝঁক্কিঝামেলা ছাড়াই এতো সহজে টিকেট কাটার ব্যবস্থা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ করলেও প্রয়োজনীয় প্রচার প্রচারণা কিংবা বুথের বাইরে সেটির ব্যবহারবিধি না লেখার কারণে যাত্রীরা আজ পর্যন্ত সেই সেবা থেকে দূরে সড়ে আছে। বিষয়টি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যেও চলছে নানা কানাঘোষা।