শুক্রবার

১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
হাজার কোটি টাকার টার্গেট নিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় চার জন গ্রেপ্তার, অটোরিক্সা উদ্ধার রাজশাহীতে হোটেলের ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় ‘চাঁদাবাজ’ হিসাবে অপপ্রচারের অভিযোগ নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার মূল হোতাসহ ১৫ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী শুধু স্বপ্ন দেখাচ্ছেন না, স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করেও দেখাচ্ছেন : রাসিক প্রশাসক বন্ধ চিনিকলগুলোতে আশার আলো মোস্তফার ভরসা বুকে বাঁধা বেয়ারিং গাড়ি রাজশাহীকে পরিকল্পিত মহানগর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে: ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীর লিচুতে ৬০ কোটি টাকা বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা অবশেষে জেল ফটকে অপেক্ষারত তিন শিশু ফিরে পেল মায়ের কোল

কোনো কাজে আসছে না বিপুল অর্থের ডেমু ট্রেন

Paris
Update : শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪

স্বল্প দূরত্বের যোগাযোগের জন্য বিপুল অর্থে কেনা ডেমু ট্রেন দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে আখাউড়া-সিলেট রেলপথে চলাচল বন্ধ রয়েছে। অথচ জাঁকজমক আয়োজনের মধ্য দিয়েই সিলেট-আখাউড়া রেলপথে ডিজেল ইলেকট্রনিক মাল্টিপল ইউনিট বা ডেমু ট্রেন চালু করা হয়েছিল। কিন্তু মাত্র ছয় বছর চলার পর ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন সার্ভিস। সেই থেকে টানা পাঁচ বছর ধরে ওই ট্রেনটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এমনকি পুনরায় চালু করা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিগত ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে সিলেট-আখাউড়া রেলপথে নতুন ডেমু ট্রেন উদ্বোধন করা হয়। স্বল্প দূরত্বের যোগাযোগের জন্য যাত্রীদের চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে কেনা হয় ডেমু ট্রেন। নতুন সার্ভিস হওয়ায় যাত্রীদের মাঝেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ট্রেনটি। উভয় দিকে ইঞ্জিন স্থাপনকৃত ট্রেনটিতে ছিল দেড়শ আসন। এ ছাড়া দেড়শ যাত্রী দাঁড়িয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও ছিল। তিন বগির ট্রেনটি সিলেট-আখাউড়া রুটের লোকাল ট্রেন হিসেবেই চলাচল করে আসছিল। তবে মাত্র ছয় বছরের মাথায় সিলেট-আখাউড়া রুটের ওই লোকাল ডেমু ট্রেনটি ২০১৯ সালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এরইমধ্যে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও ডেমু ট্রেন চালু দূরের কথা; এটি আদৌ আর চালু হবে কিনা তাও বলতে পারছেন না রেলওয়ের কর্মকর্তারা। সূত্র জানায়, যাত্রীসেবার মান বাড়াতে চীন থেকে ২০ সেট ডেমু ট্রেন কিনেছিল রেলওয়ে। ২০১৩ সালে ডেমু ট্রেন কিনতে ব্যয় হয় ৬৫৪ কোটি টাকা। ওই হিসাবে একটি ট্রেনের দাম পড়ে ৩২ কোটি ৭ লাখ টাকা। তখন রেলওয়ে থেকে বলা হয়, এসব ট্রেন সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির। প্রতিটি ডেমু ট্রেনের মেয়াদকাল ছিল ৩০ বছর। এ ছাড়া ট্রেনটি কমপক্ষে ২৫-৩০ বছর সচল থাকার নিশ্চয়তাও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ২৫ বছর দূরে থাক, মাত্র পাঁচ বছর হওয়ার পর থেকেই সমস্যা দেখা দেয়। একসময় ইঞ্জিন পুরোপুরি বিকল হয়ে গেলে ডেমু ট্রেনে যাত্রী পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ রেলের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি বগির দাম ৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এ হিসাবে একটি ডেমু ট্রেনের টাকায় ছয়টি এসি বগি কেনা যেত। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রতিটি বগি থেকে বছরে গড়ে আড়াই কোটি টাকা আয় হয়। এদিকে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার শাহাদাত আলী জানান, তখনকার সময়ে যাত্রীদের উন্নত সেবা দেয়ার জন্য ডেমু ট্রেন কেনা হয়েছিল। কিন্তু যারা এটি কেনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের হয়তো এর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা ছিল না। প্রায় সব ডেমু ট্রেন নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো এখন আর কোনো কাজে আসছে না। নষ্ট ইঞ্জিন মেরামত করা হলেও বেশি দিন ভালো থাকেনি। ফলে ডেমু ট্রেন নিয়ে রেলওয়ে একটা অস্বস্তিতে রয়েছে।-এফএনএস

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris