আরা ডেস্ক: মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে আরেকটি বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি জানিয়েছেন, মহামারির মধ্যে দরিদ্র জনগোষ্ঠী যেন তাদের জীবন-জীবিকা সচল রাখতে পারে, আগামী আরো দেখুন
এফএনএস : মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়ে ওঠা ‘নগদ’ এখন চার কোটি গ্রাহকের অপারেটর। সম্প্রতি এই ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আর্থিক সেবাটি। একই সময়ে ‘নগদ’-এর দৈনিক
এফএনএস : করোনা মহামারীতে দেশের রফতানিমুখী প্রায় সব খাতেই ধাক্কা লেগেছে। কিন্তু একমাত্র ব্যতিক্রম পাট খাত। চলতি অর্থবছরের গত জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে বাংলাদেশ পাট ও পাটজাত পণ্য
স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাই রোজাদারদের প্রাণ যায় যায় অবস্থা। এই কাঠফাটা গরমে প্রায় ১৫ ঘণ্টা রোজা রেখে শরীরকে সতেজ করার
এফএনএস : বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ (প্রাইড) প্রকল্পের আওতায় এই ঋণ দেয়া হবে। এর মধ্যে ৪৬৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
এফএনএস : করোনা ভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৮টি প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় নামমাত্র সুদে বরাদ্দকৃত অর্ধেক টাকাও ব্যবহার করতে পারেনি। ফলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন।
এফএনএস : করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত এটিএম থেকে গ্রাহক সর্বোচ্চ এক লাখ পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। সেই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সেবার সাথে পরিচালিত মোবাইল
এফএনএস : বাংলাদেশে ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে কার্যক্রম চালাচ্ছে আর্থিক মোবাইল সেবাদানকারী (এমএফএস) নগদ। কিন্তু এখনো প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স পায়নি। মূলত মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নগদ লাইসেন্স
এফএনএস : করোনা মাহামারীর মধ্যেও বাড়ছে সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৭৫ হাজার ১০৩ কোটি টাকা। এটি (২০১৯-২০) পুরো অর্থবছরের সঞ্চয় বিক্রির
এফএনএস : আজ সোমবার ও আগামীকাল মঙ্গলবার ব্যাংক লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। গতকাল রোববার এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়,
এফএনএস : কোনোভাবেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা কমছে না। উল্টো অধিকাংশ ব্যাংকেরই লোকসানি শাখা বেড়েই চলেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋণে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণেই বিপুলসংখ্যক শাখা লোকসানে পড়ছে।