সর্বশেষ সংবাদ
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ : সংসদের স্পিকার অলাভজনক-বন্ধ কারখানা নিয়ে বিশেষ রোড শোতে প্রধানমন্ত্রী রুয়েটের ছাত্র হল-২ এ চোর সন্দেহে যুবক আটক সাপাহারে আম মৌসুমের নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারি রাজশাহীতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় নার্সিং কলেজের ৩ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার পারমাণবিক ইস্যুতে মার্কিন সব শর্ত মানবে না ইরান : মোজতবা খামেনি বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতকে পুশ-ইন বন্ধের আহ্বান জানাল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লালপুরে একটু বৃষ্টিতেই স্কুলের পাঠদান কক্ষে হাটু পানি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বাগমারায় স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ বিষয়ে সেমিনার ও প্রদর্শনী নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন জনগণ থেকে দূরে না ঠেলে : প্রধানমন্ত্রী

নওহাটা হাটে কোরবানীর পশুর থেকে খাজনা আদায় করা হচ্ছে তিনগুন!

Paris
Update : সোমবার, ২৬ জুন, ২০২৩

আব্দুস সবুর

রাজশাহীর নওহাটা হাটে ছাগল ভেড়ার সরকারী নিয়মের তোয়াক্কা না করে তিনগুন বেশি খাজনার নামে চাঁদাবাজি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পবিত্র ঈদূল আযহাকে টার্গেট করে মহা উৎসবে এমন চাঁদাবাজি হলেও রহস্য জনক কারণে জেলা,উপজেলা ও জেলা প্রশাসন নিরব অবস্থায় রয়েছে। এতে করে ক্রেতা বিক্রেতারা চরম ভাবে ক্ষুব্ধ। ফলে দ্রুত সময়রের মধ্যে ব্যাবস্থা গ্রহণ না করলে পকেট কাটা যাবে ক্রেতার, অপর দিকে পকেট ভরবে ইজাদার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের।

জানা গেছে, জেলার নওহাটা পৌরসভাধীন ছাগল ভেড়ার হাট বসে প্রতি সোমবারে। অতীতে এক সময় গরুর হাটও ছিল। কিন্তু দামকুড়া হাট ভেঙ্গে সিটি হাট প্রতিষ্ঠিত হলে বন্ধ হয়ে যার গরুর হাট। বর্তমানে নওহাটা  পৌরসভা থেকে এক বছরের জন্য দরপত্রে হাটের ইজারাদারের দায়িত্ব পান মাজেদুর। তিনি ইজারা পাওয়ার পর থেকেই ছাগল ভেড়ার ৭৫০ টাকা করে ছাড়পত্র দেওয়ার নামে রীতিমত চাঁদাবাজি করছেন বলে একাধিক ক্রেতারা নিশ্চিত করেন। কোরবানী উপলক্ষে হাটে প্রচুর পরিমানে খাসি,ছাগল ও ভেড়া আমদানি ও কেনা বেঁচা হচ্ছে। সপ্তাহে একদিন প্রতি সোমবার বসে হাট। গত সোমবার ও তার আগের হাটে তানোর পৌর এলাকা থেকে খাসি কিনতে যান, পলাশ, লতিফ, মামুনসহ বেশ কিছু ব্যাক্তিরা। তাদের মধ্যে অনেকেই কিনতে পেরেছেন, আবার অনেকে না কিনেই চলে এসেছেন। যারা কিনেছেন তারা জানান, সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ২০০ টাকা খাজনা। কিন্ত ছাড়পত্র লিখার দায়িত্বে যারা রয়েছেন তারা সাব জানিয়ে দিচ্ছেন ক্রেতাকে দিতে হবে ৭০০ টাকা ও বিক্রেতাকে দিতে হবে ৫০ টাকা, মোট ৭৫০ টাকা করে ছাড়পত্র লিখলেও টাকার পরিমান বসানো হচ্ছেনা। কোন কথায় বলা যাবেনা। কেউ মদ খেয়ে আবার কেউ লাঠি নিয়ে থাকছেন। প্রকাশ্যে দিবালোকে এমন চাঁদাবাজি চলছে তারপরও সকলেই নিরব। এসব নিয়ে প্রায় হট্রগোল ধাক্কাধাক্কি লেগেই থাকছে।

সুত্র মতে, বিশ্ব ব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা। কমবেশি সবার টাকার সংকট। আর এভাবে চাঁদাবাজি করে ২০০ টাকার বিপরীতে ৭৫০ টাকা নিচ্ছে। অবস্থাটা এমন হাটের ইজারাদার সর্বময় ক্ষমতার মালিক। তার আদেশ অনুযায়ী টাকা আদায় হবে। তিনি হাট সরকার, তার নিয়মের বাহিরে গেলেই সমস্যা। ২০০ টাকার বিপরীত ৭৫০ টাকা কিভাবে আদায় করা যায় জানতে ইজারাদার মাজেদুরের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে বলেন সোমবারে হাটে আসেন সাক্ষাতে কথা হবে। আমি হাটে কেন যাব আপনি এত টাকা নিতে পারেন কিনা প্রশ্ন করা হলে উত্তরে বলেন হাটেই আসেন একসাথে চা খাওয়া হবে। পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাসমী চাকমার সাথে মোবাইলে অবহিত করা হলে তিনি বলেন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris