শনিবার

২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ

খেলাপি থেকে মুক্তির জন্য ঋণগ্রহীতাদের বিশেষ সুবিধা

Paris
Update : বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩

 

এফএনএস

খেলাপি থেকে মুক্তির জন্য ঋণগ্রহীতাদের আবারও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, মেয়াদি ঋণের বিপরীতে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির নূন্যতম ৫০ শতাংশ পরিশোধ করলেই ওই ঋণ খেলাপি করা যাবে না। তবে কিস্তির ৫০ শতাংশ টাকা চলতি জুন মাসের শেষ কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি নির্দশনা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিন মাসের ঋণের কিস্তির অর্ধেক টাকা জুনের মধ্যে পরিশোধ করলেই আর ঋণগ্রহীতা খেলাপি হবেন না। নির্দেশনায় বলা হয়, চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে বিদ্যমান অশ্রেণিকৃত মেয়াদি প্রকৃতির ঋণসমূহের (স্বল্পমেয়াদি কৃষি ও ক্ষুদ্র ঋণসহ) বিপরীতে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে প্রদেয় কিস্তির নূন্যতম ৫০ শতাংশ জুনের শেষ কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করলে ওইসব ঋণ ত্রৈমাসিকে বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। মেয়াদি ঋণের জুন পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির অবশিষ্টাংশ বিদ্যমান ঋণের পূর্ব নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সমকিস্তিতে অথবা এক কিস্তিতে প্রদেয় হবে। নির্দেশনা মোতাবেক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণসমূহ যথানিয়মে শ্রেণিকরণের আওতাভুক্ত হবে। ঋণের কিস্তি পরিশোধের ক্ষেত্রে সুবিধাপ্রাপ্ত ঋণের ওপর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের জন্য কোনোরূপ দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আরোপ করা যাবে না। পুনঃতফসিলের মাধ্যমে অশ্রেণিকৃত হিসেবে প্রদর্শিত ঋণের জন্যও এ সার্কুলারের আওতায় প্রদত্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে। ইসলামী শরীয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংকসমূহ তাদের প্রদত্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লিখিত নীতিমালা অনুসরণ করে বর্ণিত সুবিধা দিতে পারবে। সুবিধাপ্রাপ্ত ঋণের বিপরীতে যে পরিমাণ আরোপিত সুদ বা মুনাফা নগদে আদায় হবে তা আয়খাতে স্থানান্তর করা যাবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৯(১)(চ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris