শনিবার

২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
দুই পা নেই, শুধু হাতের ওপর ভর করেই মাউন্ট এভারেস্ট জয় গাজায় ইঁদুরবাহী রোগে আক্রান্ত ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি মানুষ রাজশাহী নগরীতে ত্রাস সৃষ্টির দায়ে কিশোর গ্যাং এর ২ সদস্য গ্রেফতার রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, ডিম নিক্ষেপ রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আঞ্চলিক পর্যায়ের সমাপনী অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় সেনা সদস্যরা ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে : সেনাপ্রধান ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন নগরী পাবেন রাজশাহী মহানগরবাসী : রাসিক প্রশাসক নগরীর দুই হত্যা মামলায় ৯ জন গ্রেপ্তার, তালিকা হচ্ছে কিশোর গ্যাং সদস্যদের

সয়াবিনের দাম কমানোর প্রভাব নেই নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না চিনি

Paris
Update : শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২

এফএনএস
বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম গত রোববার পাঁচ টাকা কমে ১৮৭ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছয়দিন পরও ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে আগের নির্ধারিত ১৯২ টাকা। কোম্পানিগুলো এখনো নতুন দরে তেল বাজারে ছাড়েনি। আবার এক মাসের আগে চিনির দাম ১০৮ টাকা (প্যাকেট) নির্ধারণ করার পরও ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজি। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে এ চিত্র। শুধু বোতলজাত সয়াবিন তেল নয়, খোলা পাম তেলও নির্ধারিত দামের থেকে বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি লিটার পাম তেল বিক্রি হওয়ার কথা ১১৭ টাকায়, যা ১২০ থেকে ১২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রামপুরা বাজারে এক ক্রেতা বলেন, কোনো পণ্যের দাম বাড়লে সেটা সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায়। কিন্তু কমলে সেটা হয় না। কিন্তু এগুলো দেখার কেউ নেই। সরকার দেখেও দেখে না। আমরা শুধু প্রতারিত হয়ে যাচ্ছি। বাজার এখন একটা মগের মুল্লুক। সেখানে নোয়াখালী জেনারেল স্টোরের মালিক ইউনুস হোসেন বলেন, সয়াবিন তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা কমলেও কোম্পানি সেই তেল এখনো সরবরাহ করেনি। সে কারণে পুরোনো দরের তেল বিক্রি হচ্ছে। চিনিও নির্ধারিত দামে আমরা কিনতে পারছি না। কিনতে পারছি না বলেই বিক্রি করতে পারছি না। তিনি বলেন, কোম্পানি ঠিকমতো পণ্য দেয় না। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে পণ্য কিনে এনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। সেটা বাধ্য হয়েই। এদিকে বাজারে কমেনি মসুর ডাল ও আটা-ময়দার দাম। খুচরায় প্রতি কেজি মসুর ডাল এখনো ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আটা ৭০ টাকা ও ময়দা ৭৫ টাকা। মুদিবাজারে অস্বস্তি থাকলেও কিছুটা সুখবর আছে সবজি আর মাছের বাজারে। কারণ শীতের প্রচুর সবজি বাজারে, সরবরাহ বাড়ায় কমেছে টমেটো, সিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, নতুন আলু ও গাজরের দাম। সবজি ব্যবসায়ীরা জানান, মাঝারি আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। প্রতি কেজি সিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপের কেজি ২০ টাকা, লম্বা বেগুনের কেজি ৪০ টাকা, গোল বেগুন বা তাল বেগুনের কেজি ৬০ টাকা, নতুন আলুর কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা। লাউয়ের পিস ৫০ টাকা, করলার কেজি মানভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০ টাকা, দেশি গাজর কেজিতে ২০ টাকা কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, চিচিঙ্গা ও ধুন্দুলের কেজি ৬০ টাকা, শালগমের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে বেশকিছু চাষের মাছ ওঠায় দাম কমতে দেখা গেছে। চাষের কই, তেলাপিয়া, পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া রুই, কাতলা কার্পজাতীয় চাষের মাছ ২৬০ থেকে২৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে খুব একটা হেরফের হয়নি দেশি জাতের মাছগুলোর দামে। তালতলা বাজারে মাছ বিক্রেতা আবদুল খালেক বলেন, সরবরাহের কারণে এখন মাছের দাম কম। সব ধরনের চাষের মাছের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা কমেছে। এছাড়া মাংস, চালসহ অন্যান্য পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে পাইজাম চাল প্রতি কেজি ৫৮ টাকা, আটাশ চাল ৬০ থেকে ৬২ টাকা, নাজিরশাইল ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, হাসকি ২৯ প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris