রবিবার

৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান রাজশাহীর জলাবদ্ধতা রোধে এক্সাভেটর দ্বারা ড্রেনের কাদা অপসারণ তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী রাসিকের রাজস্ব কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে দোয়ার অনুষ্ঠান নগরীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন রাসিক প্রশাসক মোহনপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ একমন ধান বিক্রি করে হচ্ছে না একজন শ্রমিকের মুজুরি মহান মে দিবস উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী নাচোলে রেলওয়ের গোডাউনের যায়গা লিজ নিয়ে মালামাল লুটের অভিযোগ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বিপুলসংখ্যক নিবন্ধিত গ্রাহকের হিসাবই নিষ্ক্রিয়

Paris
Update : মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২১

এফএনএস : মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন এখন খুবই সহজ। ফলে দিন দিন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। কিন্তু বেশিরভাগ গ্রাহকই নিবন্ধন করে কোনো রকম লেনদেন করছে না। আর এভাবে নিষ্ক্রিয় রয়েছে অসংখ্য হিসাব। এ ধরনের হিসাবের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৬১ লাখ ৬৩ হাজার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক সংখ্যা ধারাবাহিক বাড়লেও সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা উল্টো কমেছে। টানা তিন মাস একবারও লেনদেন করেনি এমন হিসাবকে মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিষ্ক্রিয় হিসাব বলে গণ্য করে। ওই হিসাবে নবেম্বর শেষে সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৭৪ হাজার, যা মোট গ্রাহকের ৩২ শতাংশ। আর আগের মাস অক্টোবরে সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৩ হাজার। বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমানে মোট ১৫টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। বিগত নবেম্বর শেষে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৭৮ লাখ ৩৭ হাজার। যা তার আগের মাস অক্টোবরে ছিল ৯ কোটি ৬৪ লাখ ১৬ হাজার। অর্থাৎ এক মাসে গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে ১৪ লাখ ২১ হাজার। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করে। ২০১১ সালের ৩১ মার্চ বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালুর মধ্য দিয়ে দেশে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের যাত্রা শুরু হয়। তার পরপরই ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে বিকাশ। বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার বাজারের সিংহভাগই বিকাশ দখলে রেখেছে। তাছাড়া করোনাভাইরাসের এ দুর্যোগকালীন গ্রাহকের কাছে মোবাইলের লেনদেন আরো জনপ্রিয় করতে বিশেষ ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সূত্র জানায়, তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত শহর কিংবা গ্রামে সর্বত্রই দ্রুত টাকা পাঠানোর সুবিধায় মোবাইল ব্যাংকিং অর্থ লেনদেনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নবেম্বর মাসে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৭৮৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা। যা আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি। একক মাস হিসেবে নবেম্বরে লেনদেন হয়েছে ৫৩ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকা। তার আগে এ মাধ্যমে জুলাই মাসে রেকর্ড ৬৩ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় ডিজিটাল। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে শুধু লেনদেন নয়, যুক্ত হচ্ছে অনেক নতুন নতুন সেবাও। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিল অর্থাৎ সেবা মূল্য পরিশোধ, কেনাকাটার বিল পরিশোধ, বেতন-ভাতা প্রদান, বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো অর্থাৎ রেমিটেন্স প্রেরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা দেয়া হচ্ছে।

সূত্র আরো জানায়, গত নবেম্বরে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবগুলোতে টাকা জমা পড়েছে ১৬ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা। ওই সময়ে উত্তোলন করেছে ১৪ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা। যা আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে টাকা জমা পরিমাণ বেড়েছে ৩ শতাংশ এবং উত্তোলন বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। অক্টোবর মাসে এমএফএসে রেমিটেন্স সংগ্রহ করেছে ১১৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা। যা আগের মাসের চেয়ে ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। অক্টোবর মাসে রেমিটেন্স এসেছিল ১১৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

নবেম্বর মাসে ব্যক্তি হিসাব থেকে ব্যক্তি হিসাবে অর্থ স্থানান্তর হয়েছে ১৬ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। মাসের ব্যবধানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা বিতরণ ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৩ কোটি টাকা। নবেম্বরে বিভিন্ন সেবার বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৮৩১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। কেনাকাটার বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা। সরকারি পরিশোধ মাসের ব্যবধানে ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া অন্যান্য হিসাবে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris