এফএনএস : বগুড়ার শেরপুরে পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার চারটি অফিস একযোগে ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে অফিসের চেয়ার-টেবিল, কাপড় ও নৌকা প্রতীক সম্বলিত ডিজিটাল ব্যানার ও অসংখ্য পোস্টার পুড়ে গেছে। গতকাল শনিবার বেলা ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের দলীয় মেয়র প্রার্থী আবদুস সাত্তার এই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার জন্য পৌর শহরের নয়াপাড়া, হাসপাতাল রোড, পৌর শিশু পার্ক ও উত্তরসাহাপাড়াস্থ নিশিপাড়া এলাকায় তার নৌকা মার্কার চারটি অফিস রয়েছে।
গত শুক্রবার রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা এই অফিসগুলোতে হানা দিয়ে ভাঙচুর করে। পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগও করেন তারা। সকালের দিকে খবর পেয়েই পুড়ে ফেলা অফিসগুলোতে ছুটে যান তিনি। ঘটনাটি পুলিশকে জানান। তিনি দ্রুত এই ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তবে এই ঘটনার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের দায়ী করলেও কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি। শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সত্যতাও মিলেছে। কিন্তু কারা এই কাজটি করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই ওসি।
এদিকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবদুস সাত্তারের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া এই শাখার যৌথ উদ্যোগে গতকাল শনিবার বিকেলে পৌর শিশু পার্ক চত্বরে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে বলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব আম্বীয়া জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ১৬ জানুয়ারি শেরপুর পৌর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান মেয়র আবদুস সাত্তার, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে স্বাধীন কুমার কুণ্ডু, জগ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী জানে আলম খোকা ও হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইমরান কামাল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।