সর্বশেষ সংবাদ
দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবো : প্রধানমন্ত্রী মহাদেবপুরে শয়নকক্ষ থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু রাজশাহীতে আকিজ প্লাম্বিং পাইপের ফুঁ বল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলা সম্পন্ন রাজশাহী সেনানিবাসে স্টেশন কমান্ডার-এর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আরডিএ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে প্রদ্ধাঞ্জলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আম বাজারে ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত ও ‘অ্যাগ্রো-বেজড’ ইপিজেড স্থাপন করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

চারঘাটে বিদ্যালয়গুলোতে দপ্তরি ও ওয়াশব্লক সংকট

Paris
Update : সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

চারঘাট প্রতিনিধি : রাজশাহীর চারঘাটে ৭৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ২২টিতে দপ্তরি এবং ওয়াশব্লক (শৌচাগার) নেই ৪৩টিতে। এ অবস্থায় দপ্তরি না থাকায় বিদ্যালয়ে শিক্ষকরাই করছেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। অন্যদিকে ওয়াশব্লক না থাকায় বিদ্যালয়ের পাশের বাড়িতে গিয়ে মলমূত্র ত্যাগ করতে হয়। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি তাঁরাও অবগত আছেন। দপ্তরি নিয়োগ ও ওয়াশ ব্লকের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে আরো ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবনের সাথে ওয়াশব্লক তৈরির কার্যক্রম চলমান আছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৮ মার্চ থেকে সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পর গত ১২ সেপ্টেম্বর তা খোলা হয়েছে। আবার করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিস্তার ঠেকাতে ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি দুই সপ্তাহের জন্য সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এবার ২২ ফেব্রুয়ারি শুধু মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১ মার্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার অনুমতি দেয় সরকার। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষনায় বিদ্যালয় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা ও ওয়াশব্লক না থাকায় চিন্তায় পড়েছেন শিক্ষকরা।

গতকাল রবিবার উপজেলার অনুপামপুর, বালাদিয়াড়, জাগিরপাড়া ও রাওথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে শিক্ষকরাই শ্রেণিকক্ষ ধোয়ামোছার কাজ করছেন। আবারও প্রায় ৪৩টি বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লক না থাকায় চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। উপজেলার অনুপামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লায়লা পারভীন বলেন, ‘আমরা নিজেরাই বালতিতে পানি নিয়ে বেঞ্চ পরিষ্কার করছি। শ্রেণিকক্ষসহ আঙ্গিনা ঝাড়ু দিয়েছি। ঝোপঝাড়ও পরিষ্কার করতে হচ্ছে আমাদের। দপ্তরির কাজগুলো আমরা শিক্ষকরাই করছি। কতদিন এভাবে চলবে জানিনা।

জাগিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নেক পারভিন বলেন, তাঁদের বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের কাজ চলছে তিন বছর ধরে। ফলে স্কুল খুললেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের পাশের গৃহস্থ বাড়িতে যেতে হয়। করোনার সময়ে এটা একটা বড় সমস্যা। তাছাড়া দপ্তরির সংকটে শিক্ষকদের নাজেহাল অবস্থা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাজমুল হক বলেন, শিক্ষকরা পড়াশোনা করাবে নাকি স্কুল পরিস্কার করবে!

বিদ্যালয় গুলোতে দ্রুত দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী ও ওয়াশ ব্লক নির্মাণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জানানো হয়েছে। ইচ্ছে থাকলে করোনাকালীন সময়ে স্কুল বন্ধ ছিল তখন সহজে কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়ন করা যেতো। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকার বিষয়টি জানানো হয়েছে। ওয়াশব্লক ২০ টি বিদ্যালয়ে আছে, আরো ২০ টিতে কার্যক্রম চলমান আছে। আশা করছি খুব দ্রতই বিষয়গুলোর সমাধান হবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris