এফএনএস : ২৯৬ উইকেট নিয়ে এই ম্যাচ শুরু করেছিলেন টিম সাউদি। টেস্টের চার দিনে ঘুচল চার উইকেটের দূরত্ব। তার ৩০০ উইকেট প্রাপ্তির দিনটিতে জয়ের পথ তৈরি করে ফেলল নিউ জিল্যান্ড। শেষ দিনে পাকিস্তানের লড়াই ম্যাচ বাঁচানোর। মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের শেষ দিনে জয়ের জন্য নিউ জিল্যান্ডের প্রয়োজন ৭ উইকেট। পাকিস্তানের প্রয়োজন ৩০২ রান। তবে রানের দিকে না তাকিয়ে পাকিস্তানিরা নিশ্চয়ই চাইবেন উইকেটে পড়ে থাকতে। তাদের ভঙ্গুর লাইন আপ নিয়ে কাজটি যদিও ভীষণ কঠিন। টেস্টের চতুর্থ দিনে মঙ্গলবার নিউ জিল্যান্ড তাদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ৫ উইকেটে ১৮০ রারে।
৩৭৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দিন শেষে পাকিস্তানের রান ৩ উইকেটে ৭১। ২ উইকেট নিয়ে সাউদি পূর্ণ করেন ৩০০ টেস্ট উইকেট। তার আগে নিউ জিল্যান্ডের হয়ে এই অর্জন আছে কেবল স্যার রিচার্ড হ্যাডলি (৪৩১) ও ড্যানিয়েল ভেটোরির (৩৬১)। ১৯২ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাট করতে নামে নিউ জিল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটিতেই সেই লিড পেরিয়ে যায় ৩০০। টম ব্লান্ডেল ও টম ল্যাথাম শুরুর জুটিতে যোগ করেন ১১১ রান। একাদশে জায়গা বাঁচানোর লড়াইয়ে থাকা ব্লান্ডেল এবারের মতো উতরে যান ফিফটি পেরিয়ে।
পরে দলের প্রয়োজনে রানের গতি বাড়াতে গিয়ে শেষ হয় তার ৬৪ রানের ইনিংস। ল্যাথামকে ৫৩ রানে থামান নাসিম শাহ। কিউই ব্যাটসম্যানদের দ্রুত রান তোলার তাড়ায় নাসিম পেয়ে যান আরও ২ উইকেট। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান কেন উইলিয়ামসন এবার করেন ২১। হেনরি নিকোলস আউট হয়ে যান ৫ বলে ১১ করে। চা-বিরতির একটু আগে ইনিংস ঘোষণা করে নিউ জিল্যান্ড। ম্যাচ বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমে চা-বিরতির আগের ৫ ওভারেই পাকিস্তান হারায় দুই ওপেনারকে। ট্রেন্ট বোল্টের বাড়তি লাফানো দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন আবিদ আলি।
সাউদির বলে আলগা শটে প্রথম স্লিপে ধরা পড়েন শান মাসুদ। দুজনের কেউই রানের দেখা পাননি। আজহার আলি ও হারিস সোহেল এরপর চেষ্টা করেন জুটি গড়ার। সাউদি দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে থামান সেই প্রচেষ্টা। ৪৬ বলে ৯ রান করে শর্ট কাভারে ক্যাচ দেন হারিস। সাউদি পা রাখেন ৩০০ উইকেটের মাইলফলকে। বাজে শুরুর পর লড়াই চালিয়ে যান আজহার ও ফাওয়াদ আলম। দুজনের দৃঢ়তাপূর্ণ ব্যাটিংয়ে এ দিন আর উইকেট হারায়নি পাকিস্তান। ১২২ বল খেলে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটির রান ৩৪। শেষ দিনেও তাদের লড়াই হবে উইকেট আঁকড়ে রাখার।