রবিবার

১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
মেয়েদের জন্য ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের ঘোষণা যেন লোক দেখানো না হয় : জামায়াত আমির রাজশাহী কোর্ট কলেজে বরণ-বিদায় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা পেলেন কবি শামীমা নাইস ছোট্ট জান্নাতের মৃত্যু যেনো নাড়িয়ে দিলো প্রতিটি হৃদয় পবার ৬৬৯ পরিবার পেলো ফ্যামিলি কার্ড হাজার কোটি টাকার টার্গেট নিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় চার জন গ্রেপ্তার, অটোরিক্সা উদ্ধার রাজশাহীতে হোটেলের ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় ‘চাঁদাবাজ’ হিসাবে অপপ্রচারের অভিযোগ নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার মূল হোতাসহ ১৫ জন গ্রেফতার

রাজশাহীতে ‘প্রেমের ফাঁদ’ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

Paris
Update : বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগরীতে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর জিম্মি করে অর্থ আদায় চক্রের নারীসহ তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নগর পুলিশ। গত সোমবার রাতে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি দল নগরের অলোকার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়। গ্রেপ্তারকৃরা হলেন, পবা থানার চৌবাড়িয়া এলাকার ফরিদ হোসেনের স্ত্রী এবং চক্রের মূলহোতা নার্গিস নাহার হেলেনা (৫২), বোয়ালিয়া থানার সুলতানাবাদ এলাকার আমিনুর রহমানের ছেলে বাপ্পী (৩২) এবং পঞ্চবটি এলাকার রানার স্ত্রী কোহিনুর রাত্রী (৪৩)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক জানান, সোমবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল নগরীর অলোকার মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় চক্রের মূলহোতা নার্গিস নাহার হেলেনাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেয়া তথ্যে কোহিনুর ও বাপ্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ কমিশনার আরও জানান, প্রেমের ফাঁদ পেতে বিভিন্ন পেশাজীবী লোকজনকে কৌশলে বাসায় নিয়ে গিয়ে নারীর সঙ্গে অশ্লীল ছবি তুলে। এর পর সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করতো এই চক্রটি। এই চক্রের প্রতারণার শিকার হলেও নিজেদের সম্মান, পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা খুন্ন হওয়ার ভয়ে অনেকেই অভিযোগ করেন না।

আবু কালাম সিদ্দিক বলেন, সম্প্রতি এক ব্যক্তিকে কৌশলে সুলতানাবাদ এলাকার একটি বাসা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর করে নারীর সঙ্গে অশ্লিল ছবি তুলে। এর পর তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। তাৎক্ষনিকভাবে তারা ১৮ হাজার টাকা নেয়। এর পর ২০ হাজার টাকা নেয়ার জন্য পরিবারের সদস্যের বিকাশ নাম্বার দেয়। প্রতারণার শিকার ওই ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং এই চক্রের সন্ধান পায়। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নার্গিস এই চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। ইতোপুর্বে এ চক্রের অনেকেই গ্রেপ্তার হলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় নার্গিস।

সে নারীদের ভাড়া করে নিয়ে গিয়ে লোকজনকে জিম্মি করতো। সর্বশেষ তিনি কোহিনুরকে তিন হাজার টাকায় ভাড়া করে নিয়ে যায়। এই প্রতারণা চক্র থেকে সচেতন থাকতে সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, রাজশাহী নগরে এ ধরণের প্রতারক চক্র আরও রয়েছে। তাদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে। তাদের ব্যাপারে কারও কাছে তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর জন্য আহবানও জানান তিনি।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris