রবিবার

১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
মেয়েদের জন্য ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের ঘোষণা যেন লোক দেখানো না হয় : জামায়াত আমির রাজশাহী কোর্ট কলেজে বরণ-বিদায় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা পেলেন কবি শামীমা নাইস ছোট্ট জান্নাতের মৃত্যু যেনো নাড়িয়ে দিলো প্রতিটি হৃদয় পবার ৬৬৯ পরিবার পেলো ফ্যামিলি কার্ড হাজার কোটি টাকার টার্গেট নিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় চার জন গ্রেপ্তার, অটোরিক্সা উদ্ধার রাজশাহীতে হোটেলের ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় ‘চাঁদাবাজ’ হিসাবে অপপ্রচারের অভিযোগ নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার মূল হোতাসহ ১৫ জন গ্রেফতার

খোলা হয়নি মাদরাসা নেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী

Paris
Update : শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মান্দা প্রতিনিধি : নেই শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা কর্মচারি। পরিষ্কার করা হয়নি মাদরাসার মাঠসহ এর আশপাশ। অফিস কক্ষের সামনে বাঁধা রয়েছে গরু। শ্রেণি কক্ষে নেই বেঞ্চ, চেয়ার ও টেবিল। তোলা হয়নি জাতীয় পতাকা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে ৫ দিন ধরে বন্ধ রাখা হয়েছে মাদরাসাটি। মাদরাসাটিতে রঙের কাজ করছেন নওগাঁ থেকে আসা পাঁচজন শ্রমিক। তাঁরা বলেন, গত রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দিন থেকে তাঁরা এখানে রঙের কাজ করছেন। এ ক’দিনে মাদরাসায় কোন শিক্ষার্থী আসেন নি। ছিলেন না কোন শিক্ষক। মাদরাসার প্রধানকেও দেখা যায়নি। শুধুমাত্র একদিন মাদরাসা সভাপতির পরিচয়ে একব্যক্তি তাঁদের খোঁজ নিতে এসেছিলেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে সরেজমিনে উপজেলার এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসা বন্ধ রয়েছে। এখানে কোন শিক্ষক কিংবা ছাত্র-ছাত্রী নেই। এসব কারণে মাদরাসার মাঠসহ এর আশপাশের এলাকা নেংরা পরিবেশ বিরাজ করছে।

গ্রামের ইউনুস আলী বলেন, গত রোববার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই মাদরাসাটি খোলা হয়নি। মাদরাসা সুপার হাকছেদ আলী ফিরেও তাকান না। পাঠদান না হওয়ায় এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে গেছে। গ্রামের আরেক বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, শ্রেণি কক্ষে বেঞ্চ, চেয়ার ও টেবিল নেই। ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক আগেই প্রতিষ্ঠান থেকে অন্যত্র চলে গেছে। দীর্ঘদিনেও এমপিওভূক্ত না হওয়ায় এরই মধ্যে অনেক শিক্ষক পেশা বদল করেছেন। মাদরাসা সভাপতি মোজাম্মেল হক বলেন, মাদরাসা সংস্কারসহ রঙের কাজ চলছে।

এ কারণে প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হয়নি। মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট হাকছেদ আলী বলেন, নন এমপিওভূক্ত প্রতিষ্ঠান কোনটাই ভালোভাবে চলে না। আমার মাদরাসারও একই অবস্থা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ আলম সেখ বলেন, চলতি শিক্ষাবছরে এলেঙ্গা মাদরাসার সুপার ৪ শ্রেণির জন্য ৮০ সেট বইয়ের আবেদন করেছিলেন। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই প্রতিষ্ঠানে চাহিদার বই সরবরাহ করা হয়। শিক্ষার্থী না থাকলে সরবরাহকৃত বই ফেরত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কেন মাদরাসা খোলা হয়নি তার ব্যাখ্যা চেয়ে সুপারকে পত্র দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris