রবিবার

১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
মেয়েদের জন্য ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের ঘোষণা যেন লোক দেখানো না হয় : জামায়াত আমির রাজশাহী কোর্ট কলেজে বরণ-বিদায় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা পেলেন কবি শামীমা নাইস ছোট্ট জান্নাতের মৃত্যু যেনো নাড়িয়ে দিলো প্রতিটি হৃদয় পবার ৬৬৯ পরিবার পেলো ফ্যামিলি কার্ড হাজার কোটি টাকার টার্গেট নিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় চার জন গ্রেপ্তার, অটোরিক্সা উদ্ধার রাজশাহীতে হোটেলের ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় ‘চাঁদাবাজ’ হিসাবে অপপ্রচারের অভিযোগ নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার মূল হোতাসহ ১৫ জন গ্রেফতার

ক্লাসরুমে ঠিকাদারের নির্মাণ সামগ্রী গাছতলায় ক্লাস করলো শিক্ষার্থীরা

Paris
Update : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

চারঘাট প্রতিনিধি : সারাদেশের মত রাজশাহীর চারঘাটেও দীর্ঘ দেড় বছর খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে শিক্ষার্থীরা আনন্দ উচ্ছাসের সাথে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করলেও শেষ পর্যন্ত তা ভোগান্তিতে রূপ নিয়েছে। উপজেলার পিরোজপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস করেছে গাছতলায়। বসার জন্য জন্য ছিলনা কোনো বেঞ্চ।

গতকাল রোববার কাঁকরামারী বাজার সংলগ্ন পিরোজপুর (১) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, তৃতীয় শ্রেণীর ক্লাস চলছে গাছের নিচে ইটের খোয়া স্তুপ করে রাখা উঁচু জায়গায়। আর পঞ্চম শ্রেণীর ক্লাস চলছে পার্শবর্তী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটা ক্লাসরুম ধার করে। এ অবস্থা রোদ ও গরমে চরম ভোগান্তিতে থাকতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।

পিরোজপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে অফিস, স্টোররুম ও শ্রেণিকক্ষ মিলে মোট ৯টি রুম ছিল। তার মধ্যে মাত্র দুটি ছিল ছাদ দেয়া রুম। নতুন ভবনের কাজ চলায় টিনশেটের ৭টি রুম গুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে ছাদ দেয়া দুই রুমের একটি অফিস রুম হিসাবে ব্যবহার হয়। অন্যটিতে করা হয়েছে ঠিকাদারের স্টোররুম। এতে রাখা হয়েছে রড, সিমেন্টসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী। এছাড়া বিদ্যালয়ের মাঠ জুড়ে পড়ে রয়েছে ইট, বালু ও মাটির স্তূপ। বিদ্যালয়ের মোট ২৯২ শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে গতকাল স্কুল খোলার প্রথম দিনে পঞ্চম শ্রেণির ৬২ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিল ৫০। তৃতীয় শ্রেণির ৭৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩ জন উপস্থিত ছিল।

তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাফিজ রেজা বলে, অনেকদিন পর স্কুল খুলেছে। ৮ টার সময় থেকে এসে বসে আছি। কিন্তু রুমে বসে ক্লাস করতে পারিনি। রোদের মধ্যে গাছতলায় ইটে বসে ক্লাস করেছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মুরাদ আলী বলেন, করোনার শুরুতে দোতলা ভবন নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। কথা ছিল ছয় মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। কিন্তু দেড় বছরের বেশি সময়েও কাজ শেষ হয়নি। আবার স্কুলের দুইটা রুমের একটা রুমে মালামাল রেখেছে ঠিকাদার।

তাই বাধ্য হয়েই তৃতীয় শ্রেণীরর গাছ তলায় ক্লাস করাতে হয়েছে। পাশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রুম চেয়ে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ক্লাস নিয়েছি। চারঘাট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভবন নির্মাণের সামগ্রী বিদ্যালয় রাখার কোনো নিয়ম নেই। আমরা প্রতিটা ঠিকাদারকে বিষয়টা জানিয়েছি। তবুও কিছু প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ সামগ্রী রাখা আছে। নির্মাণকাজের ধীরগতি ও ভবন নির্মাণের সমস্যা নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টা জানানো হয়েছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris