সর্বশেষ সংবাদ
দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবো : প্রধানমন্ত্রী মহাদেবপুরে শয়নকক্ষ থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু রাজশাহীতে আকিজ প্লাম্বিং পাইপের ফুঁ বল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলা সম্পন্ন রাজশাহী সেনানিবাসে স্টেশন কমান্ডার-এর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আরডিএ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে প্রদ্ধাঞ্জলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আম বাজারে ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত ও ‘অ্যাগ্রো-বেজড’ ইপিজেড স্থাপন করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

প্রাথমিকের নিয়োগবিধি সংশোধনের দাবিতে স্মারকলিপি

Paris
Update : শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০২১

এফএনএস : সচিব কমিটিতে পাস হওয়া ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড কর্মকর্তা ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-২০২১’ এ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির বিধান যুক্ত না করায় তা সংশোধনের দাবি জানানো হয়েছে। পদোন্নতি চালু করতে মহাপরিচালক, সচিব ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছেন প্রধান শিক্ষকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি রিয়াজ পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সারাদেশের প্রধান শিক্ষকরা নিজ নিজ উপজেলার শিক্ষা অফিসারদের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি দেন।

এতে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদেরকে স্থায়ী পদোন্নতি দেওয়ারও দাবি জানান তারা। স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড কর্মকর্তা ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-১৯৮৫ অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক থেকে উপরের পদে পদোন্নতি হতো। কিন্তু পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর এক সংশোধনী গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি বন্ধ করা হয়। যা প্রধান শিক্ষকদের কাছে একটি ‘কালো আইন’ নামে পরিচিত। ফলে প্রধান শিক্ষক পদটি দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ‘ব্লক পোস্ট’ হিসেবে রয়েছে।

সংশোধিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড কর্মকর্তা ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-২০২১’ এ দুইটি পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকদেরকে শুধু বিভাগীয় প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এসব পদে আবেদনের বয়সসীমা রাখা হয়েছে ৪৫ বছর। ফলে খুবই অল্পসংখ্যক প্রধান শিক্ষক এসব পদে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা প্রদান করলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এতে ১০ম গ্রেডসহ দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদার সুফল ভোগ করতে পারছেন না প্রধান শিক্ষকরা। আবার দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় প্রধান শিক্ষকরা তাদের বকেয়া টাইমস্কেলও পাচ্ছেন না বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris