১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

পদোন্নতির পর আরো গতিশীল জোবায়দা সুলতানার কার্যক্রম

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: চাকরি-বাকরি, রাজশাহী
পদোন্নতির পর আরো গতিশীল জোবায়দা সুলতানার কার্যক্রম
বিজ্ঞাপন

রুবেল সরকার : রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদানের পর থেকেই কর্মদক্ষতা, সততা এবং জনবান্ধব কার্যক্রমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জোবায়দা সুলতানা। ভূমি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও জনদুর্ভোগ দূর করে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি সিনিয়র সহকারী কমিশনার পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন। পদোন্নতির পর তাঁর অর্পিত দায়িত্বের পরিধি বাড়লেও মোহনপুরবাসীর সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তিনি বর্তমানে কেশরহাট পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে আসছেন। তাঁর এই সময়োপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপে পুরো প্রশাসনিক কার্যক্রমে এক নতুন গতিশীলতা এসেছে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কেশরহাট পৌরসভার প্রশাসক জোবায়দা সুলতানা সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে নানামুখী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে সেবা নিতে এসে সাধারণ মানুষ নানা জটিলতার মুখে পড়লেও বর্তমান কর্মকর্তার স্বচ্ছ ও আন্তরিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এখন দালালদের দৌরাত্ম্য প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। নামজারি (মিউটেশন), ভূমি উন্নয়ন কর আদায় এবং খাসজমির সঠিক ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
পাশাপাশি, কেশরহাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি পৌরসভার নাগরিক সেবা উন্নত করতে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার যেসব উন্নয়নমূলক কাজ স্থবির হয়ে পড়েছিল বা সাধারণ মানুষ নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল, তিনি তা সচলের জন্য সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করছেন। রাস্তাঘাট সংস্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, পৌর কর আদায়ে স্বচ্ছতা আনা এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ সব নাগরিক সেবা দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ মানুষ এখন কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁদের কাঙ্ক্ষিত ভূমি ও পৌর সেবা পাচ্ছেন। অফিসে প্রবেশ করার পর থেকেই সেবাগ্রহীতারা যাতে কোনো ধরনের জটিলতায় না পড়েন, সেজন্য তিনি নিজেই সার্বিক বিষয় তদারকি করেন। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিস নিয়মিত পরিদর্শন, পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের মান বজায় রাখা এবং মাঠপর্যায়ে কাজের স্বচ্ছতা যাচাইয়ের মাধ্যমে তিনি মাঠ প্রশাসনের কার্যকারিতাকে আরও সুদৃঢ় করেছেন।
জনকল্যাণমূলক এসব কাজের পাশাপাশি সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নেও জোবায়দা সুলতানা সমানভাবে তৎপর। বিভিন্ন সময় অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার, ও পরিবেশ রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং কিশোর অপরাধ রোধে তাঁর সাহসী ভূমিকা সচেতন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অফিসিয়াল কাজের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন, হতদরিদ্র মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং যেকোনো দুর্যোগ বা সংকটে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় তাঁর গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে। তাঁর এই কর্মনিষ্ঠা ও দায়িত্বশীল আচরণ শুধু সেবার মানই বাড়ায়নি, বরং সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারি প্রশাসনের প্রতি আস্থাও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মোহনপুর উপজেলার সাধারণ মানুষ, পৌরবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেছেন, সিনিয়র সহকারী কমিশনার জোবায়দা সুলতানার এই গতিশীল নেতৃত্ব, সততা ও নিষ্ঠা অব্যাহত থাকলে কেশরহাট পৌরসভা এবং মোহনপুর উপজেলা একটি দুর্নীতিমুক্ত ও আদর্শ এলাকা হিসেবে আরও এগিয়ে যাবে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন