এফএনএস
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষ করে অ্যারন ফিঞ্চের নেতৃত্বে বাংলাদেশে আসার কথা অস্ট্রেলিয়ার। কিন্তু ক্যারিবিয়ায় সিরিজ শেষের আগেই দেশে উড়াল দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। ডান হাঁটুর চোটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের বাকিটা তো বটেই, বাংলাদেশ সফরও শেষ হয়ে গেছে তার। বারবাডোজ থেকে রোববার রওনা হয়ে লন্ডন ও দোহা হয়ে ম্যারাথন ভ্রমণ শেষে মেলবোর্নে পৌঁছবেন ফিঞ্চ। দেশে ফিরে ডান হাঁটুতে অস্ত্রোপচারও প্রয়োজন হতে পারে তার।
সেক্ষেত্রে শঙ্কায় পড়বে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলাও। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেল স্টাফরা যদিও আশাবাদী, অস্ত্রোপচার হলেও বিশ্বকাপের জন্য ফিট হয়ে উঠবেন ফিঞ্চ। আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে ২০ ওভারের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ। চলতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের শুরুর দিকে হাঁটুর এই চোটে পড়েন ফিঞ্চ। পরে সেটি সামলেই খেলেন টি-টোয়েন্টি সিরিজে। কিন্তু সিরিজের শেষ ম্যাচে আরও বেড়ে যায় চোটের মাত্রা।
ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে তাই খেলতে পারেননি তিনি। খেলতে পারবেন না সোমবার শেষ ম্যাচেও। তার অনুপস্থিতিতে ওয়ানডে সিরিজে দলকে নেতৃত্বে দিচ্ছেন অ্যালেক্স কেয়ারি। তবে টি-টোয়েন্টিতে সাম্প্রতিক সময়ে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন ম্যাথু ওয়েড। বাংলাদেশেও তাই অধিনায়ক হতে পারেন ওয়েডই।
পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আসার কথা অস্ট্রেলিয়া দলের। মহামারীকালে ভ্রমণ ও কোয়ারেন্টিন জটিলতার জন্য ফিঞ্চের কোনো পরিবর্ত ক্রিকেটার পাঠাবে না ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। চোট ও ব্যক্তিগত কারণ মিলিয়ে এই দুই সফরে আগে থেকেই অস্ট্রেলিয়া পাচ্ছে না স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্নাস লাবুশেন, মার্কাস স্টয়নিস, প্যাট কামিন্সদের। এখন যোগ হলো ফিঞ্চকে না পাওয়ার ধাক্কা।
হতাশ হলেও ফিঞ্চ দেশে ফেরাকেই মনে করছেন উপযুক্ত পদক্ষেপ। “দেশে ফিরতে হচ্ছে বলে আমি ভীষণ হতাশ। তবে দলের সঙ্গে থেকেও মাঠের বাইরে বসে থাকার চেয়ে দেশে ফেরাকেই সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হয়েছে সবার। প্রয়োজন হলে অস্ত্রোপচার করাব আমি এবং বিশ্বকাপের আগে সেরে ওঠার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাব।”