এফএনএস : রাজশাহী পুঠিয়ায় পাওনা টাকা চাওয়ায় উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে মারপিট করে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভূক্তভোগি ব্যবসাীয় ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। থানা পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। ভূক্তভোগি ওষুধ ব্যবসায়ী মহিবুর রহমান বলেন, উপজেলার জিউপাড়া-সরিষাবাড়ি বাজারে সে পল্লী চিকিৎসাক ও ওষুধের ব্যবসা করেন। সে সুবাধে গত কয়েকমাস আগে প্রতিবেশী আবুল বাশারকে ৭ হাজার টাকা ধার দেন। তাকে ধার পরিশোধ করতে বলা হলে সে নানা বাহানা শুরু করেন।
এরমধ্যে গত ১৪ মে আমার স্ত্রী অসুস্থ হলে তাকে রামেক হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। স্ত্রীর চিকিৎসার অর্থ যোগান দিতে ১৫ মে সন্ধ্যার দিকে তার কাছে আবারো পাওনা টাকা চাওয়া হয়। তিনি টাকা না দিয়ে উল্টো উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শাকিবুর রহমান মিঠুকে ডেকে আনেন। এরপর মিঠুর আমার দোকানে এসে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় সে ছাত্রলীগের আরো ৫-৬ নেতাকর্মীকে ডেকে আনে। এরপর তারা রড়-লাঠি দিয়ে আমাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। একপর্যায়ে মেহেদী নামের একজন আমার ক্যাশ বাক্র হতে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
দোকানে মারপিট ও ছিনতায়ের খবর পেয়ে হাসপাতালে আমার স্ত্রী মারা যায়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ সভাপতি শাকিবুর রহমান মিঠুকে ১নং আসামি করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি এজাহার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এজাহার করার ৪ দিন অতিবাহিত গেলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শাকিবুর রহমান মিঠু বলেন, ওষুধ ব্যবসায়ী মহিবুর টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আমার একজন কাছের লোক আবুল বাশারকে মারধর করেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় কিছু ছেলেরা মহিবুরের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ক্ষীপ্ত হয়ে উঠেন। কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। তবে আমি তাকে মারধর করেনি। আর টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। একটি মহলের চক্রান্তে আমার ওপর মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাওয়াদী হোসেন বলেন, ওই ভূক্তভোগি থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্তাধিন রয়েছে। আজ কালের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে।