স্টাফ রিপোর্টার : দেশে ধীরে ধীরে কিছুটা হ্রাস পাচ্ছে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। তবে এখনো গড়ানুপাতিক যে হার সেটিকে ঝুঁকিহীন বলা যাবেনা। গতকাল কোভিড-১৯ ব্যাধিতে মারা গেছেন ৮৩ জন। করোনার আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও সচেতনতা আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বিকল্প পন্থা নেই ভয়াল এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকার। যার কারণে দেশের অন্যান্যস্থানের মতো রাজশাহী শহরেও স্থানীয় প্রশাসন সর্বত্রই স্বাস্থ্যবিধি মান্যতার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন অন্যান্য বিষয়গুলোর পাশাপাশি।
নগরীতে চলাচলরত সকল শ্রেণীর মানুষ যেনো স্বাস্থ্যবিধি মান্য সাপেক্ষে নিজেদের প্রাত্যহিক ও জরুরী কাজকর্ম সম্পাদন করে সেলক্ষ্েয অনেকটাই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সর্বদা। মার্কেট, বিপনীবিতান, হাটবাজার, রিক্সা ও ইজিবাইক স্ট্যান্ডসহ সর্বত্রই স্বাস্থ্যবিধি মান্যসাপেক্ষে চলাফেরাটা এখন অত্যাবশকীয় হয়ে দাড়িয়েছে। গেল সপ্তাহে ছোট ও মাঝারি বাহনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির মান্যতা খুব একটা লক্ষ্য করা না গেলেও গত কয়েকদিন ধরে নগরীর বেশকিছু ইজিবাইকে লক্ষ্য করা গেছে চালকের সচেতনতার বিষয়টি। নগরীর রেলগেট, ভদ্রা ও লক্ষিপুর মোড়ে লক্ষ্য করা গেছে বেশ কয়েকজন ইজিবাইক চালক তাদের গাড়ির সামনের কাঁচে লিখে রেখেছেন “মাস্ক বিহীন যাত্রী উঠা নিষেধ”। উক্ত চালকেরা সকলেই মাস্ক পরিহীতবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ঐসকল গাড়ীর যাত্রীদের মুখেও লক্ষ করা গেছে মাস্কের উপস্থিতি। চালকের এই ধরনের সচেতনতার বিষয়টি প্রশংসা কুড়িয়েছে নগরীর সচেতন মহলের কাছে। রেলগেট থেকে ভদ্রাগামী যাত্রী ইকবাল, নাসির ও ইমন এবিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, রোগ ব্যাধি যেহেতু গরীব ধনি শিশু কিশোর কিংবা ছেলে মেয়ে বাচবিচার করেনা; তাই সকল শ্রেণীর মানুষের উঁচিত স্বাস্থ্যবিধি মান্য সাপেক্ষে চলাফেরা করা। সচেতন যাত্রীরাও চালকদের এই ধরনের সচেতনতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। লক্ষিপুর থেকে সাহেব বাজারগামী একাধিক যাত্রী বলেন, ইজিবাইকগুলোতে যেহেতু যাত্রীসাধারণের মধ্েয শারিরীক দূরত্বের কোন সুযোগ নেই সেহেতু চালক ও যাত্রীসকলকেই মাস্ক পড়ার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে হবে।