মঙ্গলবার

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রবাসীর রেমিট্যান্স দেশের অন্যতম আয় হলেও জনশক্তি রপ্তানিতে ধস রাজশাহী থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামে পশু নিতে পথে পথে দিতে হচ্ছে চাঁদা ভুয়া দলিলে অতিরিক্ত সম্পত্তি নামজারী মামলায় দলিল লেখক-শিক্ষক কারাগারে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন রাসিকের ১২৩৭ পরিচ্ছন্নতাকর্মী টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহতদের ১০ জন মান্দার, পরিবারে শোকের মাতম রাসিকের পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চেক হিসাব বিভাগে হস্তান্তর রাজশাহী বিসিক-১ বিসিক-২ এর অচলবস্থা কাটিয়ে উঠতে উদ্যোগ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে আত্মশুদ্ধির নতুন অধ্যায় চামড়া সিন্ডিকেট-কোরবানীর পশু নিয়ে চাঁদাবাজি দেখতে চাই না : এমপি মিলন রামিসা হত্যার বিচার হবে এক মাসের মধ্যে, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

লালপুর মুক্ত দিবস আজ

Paris
Update : রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, লালপুর : আজ ১৩ ডিসেম্বর নাটোরের লালপুর হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালে এই দিনে পরাজিত পাক হানাদার বাহিনী লালপুর থেকে বিতাড়িত হয়। এই দিবসটি পালন উপলক্ষে লালপুরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উপর আলোচনা সভা ও কবিতাবৃত্তি আয়োজন করা হয়। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল দুয়ারিয়া ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামে পাকবাহিনী হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ১৮ জনকে গুলি করে হত্যা করে। ৩০ মার্চ ময়না সন্মুখ যুদ্ধে মুক্তি বাহিনী হানাদারদের ২৫ নং রেজিমেন্ট ধ্বংস করে দেয়। সেদিন প্রায় ৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ও ৩২ জন আহত হয়।

১২ এপ্রিল ধানাইদহ ব্রিজের নিকট প্রতিরোধ যুদ্ধে ১০ থেকে ১২ জন শহীদ হন। ৫ মে পাকবাহিনী ও রাজাকাররা নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস্ লিঃ এলাকা ঘেরোও করে প্রশাসক সহ দু’শ শ্রমিক. কর্মচারী ও কর্মকর্তাকে চিনিকল এলাকার পুকুর পাড়ে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে। ২৯ মে খান সেনাদের একটি দল চংধুপইঁলের পয়তারপাড়া গ্রামে নদীর পাড়ে ধরে এনে ৫০ জনেরও অধিক নিরীহ লোককে গুলি করে হত্যা করেন।

২৫ জুলাই ২২ জনকে লালপুর নীলকুঠির নিকটে হত্যা করে এবং ২৬ জুলাই একই স্থানে চারজনকে হত্যা করে। ২০ জুলাই রামকৃষ্ণপুর গ্রামে অগ্নিসংযোগ ও পাঁচজনকে হত্যা করে ৩০ জুলাই বিলমাড়ীয়া হাট ঘেরাও করে বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করে ৫০ জনেরও অধিক লোককে হত্যা করে। ৩১ জুলাই বাথানবাড়ীতে ৬-৮ জনকে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা। ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাক বাহিনী ও রাজাকারদের সহায়তায় লালপুরের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিকান্ড, ও লুটতরাজ চালায়।

১৩ ডিসেম্বর খান সেনারা ঝটিকা আক্রমন করে মহেশপুর গ্রামে ৩৬ জনকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এর মাধ্যমে পাক হানাদার মুক্তি হয় লালপুর। এই দিবসটি পালন উপলক্ষে লালপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিকদল ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris