৪ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
বদলগাছীতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে স্কুলে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগমান্দায় শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ, মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগদ্রুত পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর সমস্যা সমাধান করা হবে : এমপি মিলনসকালে জামায়াতের প্রতিবাদ মিছিল বিকেলে নারী এমপির ভবন উদ্বোধনড্রেনের আর্বজনা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসকদ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আশাবাদী ভারতের হাইকমিশনারআধুনিক শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী হলেই জুলাই শহীদদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে : তথ্যমন্ত্রী

বদলগাছীতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে স্কুলে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ

প্রকাশিত: ৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আঞ্চলিক
বদলগাছীতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে স্কুলে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ
বিজ্ঞাপন

বদলগাছী প্রতিনিধি : নওগাঁর বদলগাছী ভান্ডাপুর আলফা কিন্ডার গার্টেন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ। যৌন হয়রানীর অভিযোগের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সকাল ৯ টায় উত্তেজিত এলাকাবাসী স্কুল ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে সব পুড়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। নির্যাতিত ছাত্রীর বাবা বলেন গত সোমবার সকালে বৃষ্টি হচ্ছিল। সকাল ৮টার দিকে আমার মেয়ে স্কুলে যায়। এ সময় স্কুলে কোন ছাত্রছাত্রী আসেনি। আমার মেয়ের শরীর ভিজে গেছে। প্রধান শিক্ষক শফিউল হাসান দিপু কাজী মেয়েকে ভিজা জামা খুলতে বলে। সে খুলতে না চাইলে তাঁর অফিসে ডেকে নেয় মেয়েকে। এ সময় মেয়েকে জড়িয়ে ধরে। তাকে ছেড়ে দিতে বললে সে বলে তুমি কি ভয় পাও। এক পর্যায় প্রধান শিক্ষক ছাত্রীকে জিজ্ঞেস করে তোমার কি মিনস হয়েছে। স্কুল থেকে এসে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল আমার মেয়ে। তখন আমি প্রাইভেট পড়তে যেতে বলি ঐ স্কুলের এক শিক্ষিকার বাড়িতে। দুপুর ১২টার পূর্বে আমার মেয়ে বাসায় আসে। এ সময় মেয়ে আমার কাছে জানতে চায় মিনস কি জিনিসি আব্বু। তারপর প্রধান শিক্ষকের কর্মকান্ড আমাকে খুলে বলে এবং ঐ স্কুলে আর যাবে না বলে জানায়। তিনি স্কুলে গিয়ে প্রতিবাদ জানালে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষিপ্ত জনতা মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় স্কুল ঘেড়াও করে কাউকে না পাওয়ায় স্কুল ভাংচুর করে এবং অগ্নিসংযোগ ঘটায়। রাজিবসহ অর্ধ শতাধীক নারী পুরুষ জানায় ঐ মাষ্টারের ৩ বউ এর পরেও ছাত্রীদের যৌন হয়রানীর চেষ্টা করে। এ জন্য কঠোর শাস্তি হওয়া উচিৎ। জানতে চাইলে থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন পরিস্থিতি এখন শান্ত। বাদী থানায় আসছে মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসামী গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। অভিযোগ দিলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন