সোমবার

১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটের দায়িত্ব গ্রহণ রাণীনগরে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ, ভাঙ্গন আতংক যতক্ষণ প্রাণ থাকবে, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাব: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ দিনব্যাপী ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কর্মশালা লন্ডনে আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষায় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন রাজশাহীর ত্বাকি সবুজ ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : এমপি মিলন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ পেলেন বিএনপি নেতা সুইট

খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে রাজশাহী নেসকোর হিসাব দপ্তরের কাজ

Paris
Update : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Night; cct_value: 0; AI_Scene: (12, -1); aec_lux: 0.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

স্টাফ রিপের্টার : জনবল সংকটের কারণে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে রাজশাহীর নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) এর হিসাব দপ্তরের কাজ। প্রয়োজনের তুলনায় জনবল না থাকায় একদিকে যেমন দপ্তরের অন্য কর্মীরা চাপের মধ্যে থাকেন, অন্যদিকে বিভিন্ন প্রকার বিল পাস করতে আসা ব্যক্তিরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টগুলো থেকে জানা যায়, প্রয়োজনের তুলনায় চার ভাগের এক ভাগ লোক নিয়ে, কোন রকমে টিকে আছে রাজশাহী নেসকোর হিসাব দপ্তরটি। বিগত সময়ে এমপ্লয়ীদের নিয়মিত অবসর এবং কর্মচারী মারা যাওয়াই লোকসল্পতা বিকট আকার ধারণ করেছে এখানে। নেসকোর আওতাধীন বিভিন্ন শাখা অফিস থেকে অনুমোদন ও পরিশোধের জন্য আসা বিভিন্ন প্রকার বিল, এক থেকে দুই দিনের ভেতরে পাস হওয়ার কথা থাকলেও, বেশিরভাগ বিল পাস হতে এখন সময় লাগে, এক সপ্তাহ থেকে এক মাস পর্যন্ত। কখনো কখনো তা দুই মাস থেকে তিন মাস পর্যন্ত চলে যায়। আবার কখনো কখনো বিভিন্ন জনের বিল হারিয়েও যাই। যার কারণে নিয়মিত ঠিকাদার থেকে শুরু করে, বিভিন্ন প্রকার বিল পাস করতে আসা ব্যক্তিদের মারাত্মক হয়রানির শিকার হতে হয়। এখানে নিয়োজিত নেসকোর এমপ্লয়িরাও নিজেদের নিদারুণ কষ্টের কথা প্রকাশ করেছেন। কারণ এখানে বিল পাস করার কাজে নিয়োজিত একেক জনকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ টা পর্যন্ত অফিসের বিল পাশ করা পূর্বক চেক ইস্যু করতে হয়। এজন্য দপ্তরের সবাইকে প্রায় রাতভর দপ্তরেই থাকতে হয়। দপ্তরের কেউই নিজ পরিবারকে ঠিকমত সময় দিতে পারেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, নেসকোর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অত্র দপ্তরের লোকবল দেওয়ার জন্য, ওপর মহলে বারবার অনুরোধ করার পরেও, এখন পর্যন্ত তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। ফলে একদিকে এখানে বিল পাস করতে আসা ঠিকাদারসহ নানান জনেরা যেমন, ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, অন্যদিকে এই দপ্তরের এমপ্লয়িরা, অতিরিক্ত কাজের চাপে অমানবিক পরিস্থিতির ভেতরে আছেন। এমতবস্থায় সকলেই অত্র দপ্তরে অনতিবিলম্বে পর্যাপ্ত লোকবল পদস্থ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris