বৃহস্পতিবার

৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নারীর সম্ভ্রম হরণকারীরা এখন নারীর সম্ভ্রম রক্ষার কথা বলছে : মিলন

Paris
Update : শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: SFHDR; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 114.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

স্টাফ রিপোর্টার : ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা নারীকে গনিমতের মাল হিসেবে পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের হাতে তুলে দিয়েছিল তারাই এখন নারীর সম্ভ্রম রক্ষায় উঠে পড়ে লেগেছে। এ যেন ভূতের মুখে রামনাম’। নারীদের কিভাবে সম্মান করতে হয় বিএনপি তা জানে। কারণ বিএনপি নারী-পুরুষ সবাইকে নিয়ে একত্র পথ চলে। বিএনপিতে অনেক নারী সদস্য এবার সংসদ সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অথচ বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী দলের মধ্যে এবারের সংসদ নির্বাচনে একজন নারী সদস্যও নাই বলে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন। তিনি শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে পবা উপজেলার হরগ্রাম ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড এর গোবিন্দপুর থেকে তিনি দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। গণসংযোগ চলাকালে সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি তিনি এসব কথা বলেন।
মিলন বলেন, বিএনপি যেটা প্রতিশ্রুতি দেয় তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেগুলো প্রতিটি বাস্তবায়ন করা হবে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে। জামাতে ইসলামের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান বিএনপিকে নিয়ে নানা কুরুচিপূর্ণ কথা ও ভুল তথ্য উপস্থাপন করছেন। এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি আহ্বান জানা। বিএনপিকে কেন ভোট দেবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে তখন দেশের জনগণ শান্তিতে বসবাস করে। বিএনপি সর্বদা উন্নয়নে বিশ্বাসী। এজন্য পবা মোহনপুর এলাকায় যেসব রাস্তাঘাট হয়েছে সবগুলো বিএনপির আমলেই হয়েছে। পতিত সরকার পবা- মোহনপুর এলাকার সহ দেশের কোন উন্নয়ন করেনি কোন রাস্তাঘাট করেনি। শুধু মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। আর এতে সহযোগিতা করেছে স্বাধীনতা বিরোধী দল জামাতে ইসলাম। এখন তারা দেশ সেবক হিসেবে নিজেদেরকে জাহির করছে। মোনাফেক ও দেশদ্রোহী এ দল থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারি দেশ সেবার সুযোগ পেলে, আর তিনি যদি এই আসনে নির্বাচিত হন তাহলে শুরুতেই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ কৃষি উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেবেন। সেই সাথে শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন। নারীর ক্ষমতায় ও নারীদের বেকারত্ব দূরীকরণে তাদেরকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সেই সাথে ফ্যামিলি কার্ড নারীদের হাতে প্রদান করা হবে এবং কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। শুধু তাই নয় পর্যাপ্ত খেলার মাঠ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে খেলাধুলা কে বাধ্যতামূলক করা হবে বলে উল্লেখ করেন মিলন। তিনি আরো বলেন হরগ্রাম ইউনিয়নে একজন ব্যক্তি ২৮ বছর চেয়ারম্যান করেও কোন উন্নয়ন করেনি। বেশিরভাগ রাস্তা কাঁচা এবং যেগুলো বিএনপির আমলে পাকা করেন করা হয়েছিল সেগুলোও সংস্কার করে নাই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মিলন আরো বলেন, চারিদিকে শুধু ধানের শীষের জোয়ার বইছে। এই জোয়ারে ষড়যন্ত্রকারীরা ভেসে যাবে। একটি দল নির্বাচন বানচাল করার জন্য এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দেয়ার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান তিনি। সেই সাথে ১২তারিখে ধানের শেষে ভোট দিয়ে বিজয় করে দেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। এদিকে হরগ্রাম ইউনিয়নে এডভোকেট শফিকুল হক মিলন প্রবেশ করার সাথে সাথে এলাকায় উৎসবে পরিণত হয়। প্রতিটি বাড়ি থেকে নারী পুরুষরা বেরিয়ে এসে তার সাথে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন। অনেক মুরুব্বীকে তার মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করতে দেখা যায়। সেই সাথে তারা সবাই ধানের শীষে ভোট দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এলাকাবাসী বলেন, ধানের ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের গড়া বিএনপির প্রতীক। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে তারা ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন বলে জানান। এ সময় পুরো এলাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। গণ সংযোগে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সরকার অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, হড়গ্রাম বিএনপির আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, সদস্য সচিব শাহিন রেজা সান্নান, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দের জামানি সুমন, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানা ও নারী নেত্রী মৌসুমী নাসরিন সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris