স্টাফ রিপোর্টার : বেগম খালেদা জিয়া মোট ১৬ বার রাজশাহীতে এসেছেন। রাজশাহীর যা কিছু উন্নয়ন হয়েছে, তার সবই হয়েছে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে। রাজশাহীর সঙ্গে তার আত্মিক সম্পর্ক ছিল। রাজশাহীর সকল নেতার নাম তাঁর মনের মনিকোঠায় ছিলো। কারণ সেই সময়ে লংমার্চ, ও ট্রেন মার্চ সবগুলোই রাজশাহীর নেতৃবৃন্দের আয়োজনে হয়েছিলো। এজণ্য রাজশাহীর প্রতিটি মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীগল তাঁর মনের মনি কোঠায় ছিলো।
রাজশাহীর মাটি ও প্রতিটি জনগণের সাথ বেগম জিয়ার আত্মার সম্পর্ক ছিলো বলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সোমবার (০৫ জানুয়ারি) রাজশাহীতে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি বক্তব্যে রাজশাহী-২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু এই কথাগুলো বলেন। তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে কোনো অহংকার ছিল না। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও সত। বেগম জিয়া অনেক কথা শুনতেন, বলতেন কম। তিনি কখনো আমি বলতেন না। বলতেন আমরা, তিনি সর্বদা দেশবাসীকে মায়ামমতা ও ভালাবাসা দিয়ে আগলে রাখেতেন। তিনি বলতেন আমি বাংলাদেশের জন্মেছি, এই বাংলাদেশেই আমার মৃত্যু হবে। বেগম জিয়ার আজ আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে গেলেও দেশবাসী তথা বিশ্ব সারাজীবন তাঁকে মনে রাখবে। ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় পাতায় তাঁর নাম স্বণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার বিকেলে নগরীর বাটার মোড়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিলে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা ও রাজশাহী এক আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও রাসিক সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা মোহনপুর আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
দোয়া ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা ও শফিকুল ইসলাম সাফিক, মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুল হক মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, বোয়ালিয়া থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত আলী, মতিহার থানা বিএনপি সাবেক সভাপতি আনসার আলী, বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) বিএনপি’র সভাপতি শামসুল ইসলাম মিলু, সাধারণ সম্পাদক বজলুজ্জামান মোহন, বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নিপু ও সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন।